১০৫টি কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল চান মঞ্জু

প্রকাশঃ মে ১৬, ২০১৮

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ১০৫টি কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করে পুনঃনির্বাচন এবং ৪৫টি কেন্দ্রে হওয়া অনিয়মের তদন্ত করে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। 

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে নির্বাচনোত্তর প্রতিক্রিয়া জানাতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পরাজিত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু একথা বলেন।

মঞ্জু অভিযোগ করে বলেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নৌকার জয় হয়েছে। খুলনাবাসী ভোট ডাকাতির নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়ে পড়েছে অনিশ্চিত।

তিনি বলেন, কেসিসি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ হয়ে গেছে, শেখ হাসিনার সরকার ও তার অনুগত নির্বাচন কমিশনের অধীনে দেশে কোনো অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না।

এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের বরাত দিয়ে ছাপা হওয়া এই নিউজ সম্পর্কে মঞ্জুকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, তিনি ডাকাতির নির্বাচনের প্রধান ডাকাত। তাদের পাশে থেকে সহায়তা করার কোনো মানসিকতা নেই। এই শহরের মানুষ ভোটের দিন ভোট দিতে পারেনি। যে শহরের মানুষ ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করেনি, তিনি কীভাবে ওই ভোটারদের সামনে যাবেন। তিনি কীভাবে তাদের সামনে মুখ দেখাবেন।

তিনি বলেন, সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় শক্তিকে নিয়োজিত করে ভোটের ফলাফল পক্ষে নেওয়া হয়েছে। বিজিবি ও র‌্যাব ছিল নিষ্ক্রিয়। তারা গাড়িতে বসে ঘুমিয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ছিলেন নির্বিকার। আর পুলিশ ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। বিশেষ একটি ব্যাচের সব পুলিশকে খুলনায় এনে একটি অভিজাত হোটেলে রাখা হয়। খুলনায় ডিউটি না থাকা সত্ত্বেও তারা ভোটের দিন সরকারি পোশাক পরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে নৌকার পক্ষে ভূমিকা পালন করেছে।

মঞ্জুর অভিযোগ, যে সব ওয়ার্ডে ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী সেই ওয়ার্ডগুলোই ছিল আওয়ামী লীগের টার্গেট। যে কারণে সকালেই ১৬, ১৭, ১৯, ২২, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রগুলো দখল করে নেয় তারা। এজেন্টদের পিটিয়ে মেরে বের করে দেয়া হয়েছে। ভোটারদের কেন্দ্রেই আসতে দেয়া হয়নি। হুমকি ভয়-ভীতি প্রদর্শন ছিল অব্যাহত।

কমেন্টস