ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে মুখ খুললেন এমপি ছানোয়ার

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

‘টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাংসদ ছানোয়ার হোসেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের’।এমন খবর ‘সঠিক নয়’ বলে জানিয়েছেন সাংসদ ছানোয়ার হোসেন।

রবিবার সকালে এক প্রশ্নের জবাবে এই কথা জানান টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের এই সাংসদ।

এসময় তিনি বলেন, মন্ত্রী শুধু নেতা-কর্মীদের ভিড় আর স্লোগানে বিরক্ত হয়ে রাগারাগি করেছেন। যারা মিথ্যে সংবাদ করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

রাজশাহীতে কর্মী সভা শেষে শনিবার রাতে ঢাকায় ফেরার পথে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তে যমুনা রিসোর্টে যাত্রাবিরতি করেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।সেখানেই রাত পৌনে ৯টার দিকে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে এমপি ছানোয়ারকে চড় ও ঘুষি মারেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে খবর প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য, প্রকাশিত খবরে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজশাহীতে কর্মিসভা শেষ করে ওবায়দুল কাদের ঢাকায় ফেরার পথে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তে যমুনা রিসোর্টে যাত্রাবিরতি করেন। সেখানে আগে থেকেই টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম, সাংসদ ছানোয়ার হোসেন, সাংসদ অনুপম শাহজাহান জয়সহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত হন। তিনি সেখানে পৌঁছানোর পর দলীয় কর্মীরা জয় বাংলা স্লোগান দিলে তিনি স্লোগান থামাতে বলেন এবং এ নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ওবায়দুল কাদেরকে সেখানে আপ্যায়নের আমন্ত্রণ করেছিলেন টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের নবনির্বাচিত সাংসদ হাসান ইমাম খান। কিন্তু হাসান ইমাম শনিবার বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করতে টুঙ্গিপাড়া যাওয়ায় যমুনা রিসোর্টে উপস্থিত হতে পারেননি। ওবায়দুল কাদের রিসোর্টের পদ্মা রেস্ট হাউসে ঢুকে সাংসদ হাসান ইমাম উপস্থিত নেই জানতে পেরে তাকে উদ্দেশ করে গালাগাল করেন।

এ সময় টাঙ্গাইল-৫ আসনের সাংসদ ছানোয়ার হোসেন হাসান ইমামের পক্ষ নিয়ে ওবায়দুল কাদেরকে কিছু বলতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং ছানোয়ার হোসেনকে তিনটি চড় ও ঘুষি মারেন। পরে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে রেস্ট হাউস থেকে বের হয়ে যান। তিনি হেঁটেই রিসোর্টের গেট পর্যন্ত আসেন। সেখানে দলীয় নেতাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

এ ঘটনার বিষয়ের জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমার জানা নাই, যদি এমনটা ঘটেই থাকে তা হলে তা অনাকাঙ্ক্ষিত।

যমুনা রিসোর্টে কী ঘটেছিল জানতে রবিবার সকালে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টাকালে তাঁর এপিএস আবদুল মতিন জানান, এ ধরনের কোনো ঘটনা ওখানে ঘটেনি, পত্রিকায় কেন লিখেছে জানি না।

Advertisement

কমেন্টস