খালেদা জিয়া এখন আদালতে

প্রকাশঃ জানুয়ারি ১২, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-
জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাষ্ট দুর্নীতির মামলায় হাজিরা দিতে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বেলা ১০টার দিকে খালেদা জিয়া আদালতে পৌঁছান।

পুরান ঢাকার বকশিবাজারস্থ কারা অধিদফতরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের আদালতে মামলা দু’টির বিচারকাজ চলছে।

মামলা দুইটির মধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাষ্ট্র মামলায় খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ শুনানিতে অসমাপ্ত বক্তব্যের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। আর অরফানেজ ট্রাষ্ট মামলায় দুদকের প্রাক্তন পরিচালক এই ঘটনার প্রথম অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদের সাক্ষ্য নেওয়ার জন্য দিন ধার্য রয়েছে। তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের পক্ষে আত্মপক্ষ শুনানি হবে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাষ্ট মামলায় গত ১ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ শুনানি করেন। আত্মপক্ষ শুনানিতে তিনি নিজেকে সম্পূন্নভাবে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি তার পক্ষে সাফাই সাক্ষি দিবেন বলেও আদালতকে জানান। এরপর তিনি আদালতে একটি লিখিত বক্তব্য দেন। ওইদিন তার বক্তব্য শেষ হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

মামলাটিতে বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।

এতিমদের জন্য বিদেশি থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া অরফানেজ মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়।

২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।

আসামি তারেক রহমান সরকারের নির্বাহী আদেশে দেশের বাইরে আছেন। মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ জামিনে আছেন। ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু হতেই পলাতক।

দুই মামলায় খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করেন।

 

Advertisement

কমেন্টস