Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ২০ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

ছাত্রীকে ধর্ষণের সময় উচ্চস্বরে গান ছেড়ে দিয়ে পাবেলকে সহযোগিতা করে ২ নারী!

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ জুলাই ২০১৮, ০৫:০১ PM আপডেট: ২৯ জুলাই ২০১৮, ০৪:৫৫ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং নারী ডেস্ক-

চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভা এলাকায় স্কুলগামী ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে অলি উল্লাহ পাবেল (২৪)  নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার(১৯জুলাই)হাটহাজারী মডেল থানায় অভিযুক্ত  যুবক অলি উল্লাহ পাবেলসহ (২৪) চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভিকটিমের বাবা। এরপরই পুলিশ অভিযুক্ত পাবেলের বড় ভাই হাবিবুল্লাহ রুবেল (২৮) ও ডলি (২৫) নামের এক নারীকে গ্রেফতার করেছে।

পাবেল ও রুবেল হাটহাজারী পৌরসভার পশ্চিম দেওয়ান নগর খেরুপাড়া ভোলা হাজি বাড়ির মৃত জাকির হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, হাটহাজারী বাস স্টেশনের জেঅ্যান্ডজি মার্কেটে জে আর সু কালেকশন নামে একটি জুতার দোকান রয়েছে অলি উল্লাহ পাবেল ও তার বড় ভাই হাবিবুল্লাহ রুবেলের। হাটহাজারী উপজেলা সদরের একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীর পরিবারের সাথে দোকান থেকে কেনাকাটার সুবাদে পরিচয় পাবেলের।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৪ জুন সকালে হেঁটে স্কুলে যাওয়ার পথে বাস স্টেশনের ফুলকলি মিষ্টি দোকানের সামনে থেকে পাবেল ছাত্রীটিকে স্কুলে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে কৌশলে তার রিকশায় তুলে নেয়। পরে স্কুলে না নিয়ে ছাত্রীটিকে ফুসলিয়ে পৌর এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যায় পাবেল।

ওই ভবনের চতুর্থ তলার পশ্চিম পাশের একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে অজ্ঞাতনামা দুই নারীর সহযোগিতায় তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন পাবেল। এ সময় ছাত্রীটি চিৎকার শুরু করলে বাসায় থাকা দুই নারী উচ্চ ভলিউমে গান ছেড়ে দেয়। এ সময় মেয়েটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে পাবেল তার মোবাইলে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পাবেল পরে ওই ছাত্রীকে ঘটনা কাউকে না বলার জন্য  হুমিক দিতে থাকে। অন্যথায় ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে বলেও হুমকি দেয় পাবেল। পরে ট্যাক্সিতে করে ছাত্রীটিকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় রুবেল।

বাড়িতে পৌঁছে ওই স্কুলছাত্রী তার বাবা-মাকে ঘটনাটি বললে ছাত্রীটির পরিবার পাবেলের বড় ভাই রুবেলের কাছে ঘটনাটি বলে। রুবেল বিষয়টি কাউকে না জানানোর অনুরোধ জানিয়ে উপযুক্ত বিচার ও মীমাংসার আশ্বাস দেন।

বারবার সময়ক্ষেপণ করায় গত ১৭ জুলাই ছাত্রীটির বাবা আবারও রুবেলের দোকানে যায়। এ সময় দুই ভাই দোকান থেকে পালিয়ে যায়।

এরপর নির্যাতিতা ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে পাবেল, রুবেল ও ধর্ষণে সহযোগিতাকারী অজ্ঞাতনামা দুই নারীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এরপরই ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ছাত্রীটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাটহাজারী মডেল থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাংগীর। তিনি  বলেন, মামলার পর পাবেলের ভাই রুবেল ও সহযোগী ডলিকে আটক করা হয়েছে। কিন্তু মূল মূল আসামি পাবেল ও আরেক নারী সহযোগীকে এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের গ্রেফতারে  অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন ওসি বেলাল উদ্দিন।

Bootstrap Image Preview