‘২০৩০ সালের মধ্যে বিমানে ৫০ শতাংশ নারীকর্মী নেয়া হবে’

প্রকাশঃ মার্চ ৮, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

২০৩০ সালের মধ্যে বিমানে ৫০ শতাংশ নারীকর্মী নিয়োগের কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এ এম মোসাদ্দিক আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘শুধু নারী দিবস বলে নয়, বছরের অন্যান্য কর্মদিবসেও বিমানে নারী কর্মীরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সরকার নারীদের ক্ষমতায়নে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে।’

আজ বুধবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে ক্যাপ্টেন তানিয়া রেজা ও ফার্স্ট অফিসার সারওয়াত সিরাজ অন্তরার পরিচালনায় সব নারী কেবিন ক্রু ৮০ জন যাত্রী নিয়ে সিলেটের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। এ উপলক্ষে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসব কথা বলেন।

এ এম মোসাদ্দিক আহমেদ বলেন, ‘বিমানে ফ্লাইট পরিচালনাসহ গ্রাউন্ড সার্ভিস, প্রকৌশল এবং বিভিন্ন বিভাগে নারীকর্মীরা দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। দেশের নারীরা বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাচ্ছেন, এটি তুলে ধরতেই নারী দিবসে এই বিশেষ ফ্লাইট।’ তিনি আজকের এই বিশেষ দিনে বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা নারী সহকর্মীদের অভিনন্দন জানান। শুধু নারী দিবস বলে নয়, বছরের অন্যান্য কর্মদিবসেও বিমানে নারী কর্মীরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সরকার নারীদের ক্ষমতায়নে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পুরুষ কর্মীদের পাশাপাশি নারীরাও সমানতালে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে মহাব্যবস্থাপক জনসংযোগ শাকিল মেরাজ বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস নারীদের সুষ্ঠু, সুন্দর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশের নারীরাও এভিয়েশন খাতে সফল-এ বিষয়টি আমরা তুলে ধরতে চাই। একই সঙ্গে সারা দেশের নারীদের কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দিতে চাই, আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখলে সেটি সফল হওয়া সম্ভব।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ক্যাপ্টেন তানিয়া রেজা বিমানে যোগ দিয়েছেন ২০০০ সালে। তিনি এফ-২৮, ডিসি ১০-৩০ এবং এয়ারবাস-এ৩ ১০ উড়োজাহাজ চালিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজের ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব পালন করছেন। এখন পর্যন্ত ক্যাপ্টেন তানিয়া রেজা ছয় হাজার ঘণ্টা উড়োজাহাজ চালানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। আজকের এই বিশেষ ফ্লাইটের উদ্দেশ্য বিশ্বকে দেখানো বাংলাদেশের নারীরা এভিয়েশন খাতে সফলভাবে দায়িত্ব পালনে সক্ষম। তাঁদের অবদান বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Advertisement

কমেন্টস