সকল ধর্মের মর্মবাণী শান্তি : বাংলাদেশ ন্যাপ

প্রকাশঃ ডিসেম্বর ২৪, ২০১৭

বিডিমর্নিং নিউজ ডেস্কঃ

বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

রবিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক শুভেচ্ছা বার্তায় দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, বাংলাদেশের খ্রিস্টানগণ শিক্ষা, মানবতা ও সেবাসহ সমাজের বিভিন্ন কাজে যে ভূমিকা রেখেছে তা প্রশংসনীয়। ধর্মের ওপর যাদের বিশ্বাস ও আস্থা আছে তারা কিন্তু কোনো অন্যায় পদক্ষেপ নিতে পারে না।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, খ্রিস্টান ধর্মের প্রবক্তা যিশুখ্রীষ্ট সবসময় আর্ত-পীড়িতকে সাহায্য করতেন, তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন। আমরা যদি সকল ধর্মের মর্মবাণীর দিকে তাকাই তাহলে সাদৃশ্য দেখতে পাব। প্রত্যেক ধর্মেই শান্তির কথা বলা হয়েছে। সহশীলতার ও মানবতার কথা বলা হয়েছে। অনাহার ক্লিষ্ট, রোগাক্রান্ত অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে সাহায্যের কথা বলা হয়েছে।

তারা বলেন, বাংলাদেশের হাজার বছরের ঐতিহ্য হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। আমরা এই বাংলাদেশে সকলসময় এটাই বিশ্বাস করি- এখানে সকল ধর্মের সমান অধিকার থাকবে। এটাই হচ্ছে আমাদের মূল নীতি। সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচারসহ পৃথিবীকে শান্তির আবাসভূমিতে পরিণত করার লক্ষ্যে যুগে যুগে যেসব মহামানব পৃথিবীতে এসেছেন যিশু খ্রিষ্ট তাদের অন্যতম। তিনি পথভ্রষ্ট মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে আহ্বান জানিয়েছেন।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিষ্ট এদিনে বেথেলহেমে জন্মগ্রহণ করেন। শোষণমুক্ত সমাজ প্রবর্তনের জন্য পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই ছিল যিশু খ্রিষ্টের অন্যতম ব্রত। বিপন্ন ও অনাহারকিষ্ট মানুষের জন্য মহামতি যিশু নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সব সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগ অনুভূতির প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। আমরা সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ধর্মীয় আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই সমাজে সুখ-শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

কমেন্টস