জীবাশ্ম-জ্বালানিতে আর চলবে না; বদলে যাচ্ছে ভবিষ্যতের জাহাজ

প্রকাশঃ মে ৯, ২০১৮

বিডিমর্নিং ডেস্ক :

জাহাজ থেকে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ ৫০ শতাংশ কমানোর উদ্দেশ্যে প্রায় ৫০ হাজার নৌবহরে নতুন প্রযুক্তি যোগ করার পরিকল্পনা চলছে। আন্তর্জাতিক রুটে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বিশ্বের ২ শতাংশ কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমনের জন্য দায়ী করা হয়, একই পরিমাণ কার্বন নির্গমন ঘটে প্লেন থেকেও।

বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলায় ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী নৌপরিবহন শিল্প থেকে কার্বন নির্গমন নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন প্রযুক্তি সংযোগ করার বিষয়ে কাজ করছে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন। পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো মনে করে, ২০৫০ সালের মধ্যে খুবই কার্যকরভাবে এ খাত থেকে নির্গত গ্রিন হাউজ গ্যাসের পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব। এজন্য জাহাজগুলোকে চলাচলের জন্য জীবাশ্ম-জ্বালানির বদলে বায়ুশক্তিকে কাজে লাগানোর কথাও মাথায় রাখা হয়েছে।

তবে আশার কথা হচ্ছে, অর্গানাইজেশন ফর ইকোনোমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নীতিনির্ধারকদের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী শুধু বর্তমান প্রচলিত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ২০৩৫ সালের মধ্যে ৯৫ শতাংশ সফলতা অর্জন সহজেই সম্ভব।

ডেনমার্কের একটি জাহাজ কোম্পানি ইতোমধ্যেই জ্বালানি ব্যবহার ও গতিবেগ কমিয়ে আনার মাধ্যমে কার্বন নির্গমনের হার ৩০ শতাংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে। কারণ বিশ্বের বেশিরভাগ বাণিজ্যিক জাহাজ হালকা অ্যালুমিনিয়ামের বদলে ভারী স্টিলের তৈরি। তাছাড়া, সেগুলোতে কাঠামোর ঘর্ষণ কমানোর বিশেষ কোটিং-এর মতো বিভিন্ন অ্যানার্জি-সেভিং প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয় না।

এদিকে সর্বোচ্চ গতির চেয়ে একটু ধীরে জাহাজ চলাচলে ড্র্যাগ ও ফ্রিকশন কম উৎপন্ন হয়, ফলে কার্বন নির্গমন কমে। তাছাড়া অপেক্ষাকৃত সরু ডিজাইনের কাঠামোও একই কারণে কম কার্বন নির্গমন ঘটায়। ২০১৩ সালে পরিলক্ষিত এসব পরিমাপের বেশ কিছু বর্তমান প্রচলিত জাহাজে যোগ করা হবে ২০৩০ সাল নাগাদ।

কার্বন নির্গমন ঠেকানোর আরেকটি পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে নতুন নির্মিত কার্গো জাহাজগুলোতে। জাপানি প্রতিষ্ঠান ইকো মেরিন পাওয়ার এবং দ্য অ্যাকুয়ারিয়াস ইকোশিপ সারি সারি পাল ও সোলার প্যানেল যুক্ত একটি কার্গো জাহাজ নির্মাণ করেছে। একই পদ্ধতিতে ওয়েল ট্যাংকার, ক্রুজ শিপসহ আরও অনেক রকম নৌযান পরিচালিত করা

কমেন্টস