মাছ থেকেও টিবি সংক্রমণ, মৃত্যু নিশ্চিত!

প্রকাশঃ জানুয়ারি ১৩, ২০১৮

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

শুধুমাত্র হাঁচি-কাশি আর বাতাসের মাধ্যমে যক্ষ্মার জীবাণু ছড়ায় না। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, শুধু বাতাস নয় পানিও বয়ে আনে যক্ষ্মার জীবাণু। বিপদ এখন সর্বত্র। বায়ু-জল-মাটি!

চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, বাজার থেকে কেনা মিষ্টি পানির মাছ। বাড়ির অ্যাকোরিয়ামের মাছ। হাসপাতালের পাইপ লাইনের সঙ্গে যুক্ত কলের পানীয় জলের কল। মায় মাঠের ধুলো। সর্বত্রই হানা দিতে ঘাপটি মেরে বসে থাকতে পারে নতুন প্রজাতির যক্ষ্মার জীবাণু। এক বা দুই নয়, কম করে এরকম পাঁচশো নতুন প্রজাতির টিবি জীবাণু রয়েছে। এই প্রজাতি টিবির জীবাণু চিহ্নিত করা বেশ জটিল। গতানুগতিক টিবির জীবাণু চিহ্নিত করার পদ্ধতিতে তো এক্কেবারেই নয়। দ্রুত নির্ণয় সম্ভব একমাত্র অত্যাধুনিক পিসিআর পদ্ধতিতে। যা, সর্বত্র মেলে না। ফলে, আক্রান্তদের সিংহভাগই সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত থাকেন। এর ফলে ওষুধ না পেয়ে অনেকেই দ্রুত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

সম্প্রতি একদল মার্কিন চিকিৎসা বিজ্ঞানী ঠিক এমনটাই দাবি করছেন। মিসিগনের বিউমন্ট মেডিক্যাল সেন্টারের চিকিৎসক বিজ্ঞানী সুমিত ফোগলার নেতৃত্বাধীন গবেষক দল এই নিয়েই পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছেন। একাধিক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন ওই দল।

ওই গবেষকরা জানাচ্ছেন, ব্যাঙের শরীরে টিবি হলে সেই ব্যাক্টরিয়ার নাম মাইক্রোব্যাক্টেরিয়াম জেনোপী। অন্যদিকে, মাছকে টিবি আক্রান্ত করে মাক্রোব্যাক্টেরিয়াম মমেরিনাম।

ঘটনা হল, সম্প্রতি বছর চৌষট্টির অবসরপ্রাপ্ত এক মার্কিন সেনার চিকিৎসা করতে গিয়ে “ব্যাঙটিবি”-র বিষয়টা প্রকাশ্যে আসে। ওই প্রৌঢ়ের ফুসফুসে ক্যান্সার হয়েছে কিনা তা নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছিল সুনীলের গবেষক দল। অনেক পরীক্ষার পর দেখা যায় ওই প্রাক্তন সেনদলমাইক্রোব্যাক্টরিয়াম জেনোপী বা “ব্যাঙ” টিবিতে আক্রান্ত।

কমেন্টস