অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আসছে জাফর পাঠানের কাব্যগ্রন্থ “মুক্ত খাঁচার বন্দি পাখি”

প্রকাশঃ জানুয়ারি ৩১, ২০১৮

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

স্বাধিকার ও মানবাধিকারের উপর লিখিত একগুচ্ছ বলিষ্ঠ কবিতা নিয়ে জাফর পাঠানের এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলার কাব্যগ্রন্থটি রচিত। “মুক্ত খাঁচার বন্দি পাখি” কাব্যগ্রন্থটি এবারের বইমেলায় পাওয়া যাবে- ৬১৯ নাম্বার ষ্টলে ‘ সপ্তবর্ণ ’ প্রকাশনীতে ( সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)।

কবি জাফর পাঠানের লেখালেখি মাধ্যমিক স্কুলে অধ্যয়নরত থাকাকালীন সময় (১৯৮৪ সাল) থেকেই শুরু। প্রথম কবিতাটির নাম ছিলো ‘অপশক্তি সাবধান’। অনিয়মিতভাবে ১৯৯০ সাল থেকে বিভিন্ন মাসিক, পাক্ষিক, সাপ্তাহিক পত্রিকায় কবিতা ছাপা হতে থাকে। ২০০৫ সালের পর থেকে জাতীয় দৈনিক পত্রিকা এবং অনলাইন পোর্টালে বাংলাদেশ, ভারত ও ইংল্যান্ডে নিয়মিত জাফর পাঠানের কবিতা প্রকাশিত হতে থাকে।

ছোটবেলা থেকেই জাফর পাঠান ক্রীড়ার প্রতি আসক্ত ছিলেন। সেকেন্ড ডিভিশন পর্যন্ত ফুটবল, প্রায় একযুগ প্রিমিয়ার ডিভিশন হ্যান্ডবল, তারপর দীর্ঘ সময় লং টেনিস খেলোয়াড়ী জীবন পেড়িয়ে সর্বশেষ ‘বাংলাদেশ জাতীয় আরচ্যারী দলের’ পক্ষে ‘সাউথ এশিয়ান আরচ্যারী চ্যাম্পিয়নশীপে- ২০০৮-ভারত, অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে জাফর পাঠান ব্যক্তিগতভাবে দুইটি ব্রোঞ্চ পদক ও সার্টিফিকেট অর্জন করেন। এরপর খেলোয়াড়ী জীবনের ইস্তফা টেনে সাংবাদিকতা ও লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন।

প্রথমে দৈনিক বর্তমান বাংলায় হাতেখড়ি, তারপর পর্যায়ক্রমে যোগ দেন সাপ্তাহিক দিন বদলের আলো (২০১১), সাপ্তাহিক বার্তাবিচিত্রা (২০১৩), দৈনিক সমাচার (২০১৫), বর্তমানে অনলাইন পোর্টালের সাথে জড়িত আছেন এবং বিভিন্ন দেশী ও বিদেশী মিডিয়ায় আন্তর্জাতিক কলাম লিখে যাচ্ছেন। তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য (ডিইউজে) জাতীয় প্রেসক্লাব। জাফর পাঠানের এ পর্যন্ত একক কাব্যগ্রন্থ বের হয়েছে এবারেরটি সহ পাঁচটি । যথাক্রমে- দ্রোহের দহন (বইমেলা-২০১৪ সাল), নাবুদের নাদ ( বইমেলা-২০১৫ সাল), অগ্নিবাণ ( বইমেলা-২০১৬ সাল), মুষ্টিবদ্ধ হাত(বইমেলা-২০১৭), মুক্ত খাঁচার বন্দি পাখি (বইমেলা-২০১৮)। এছাড়া যৌথ কাব্যগ্রন্থ বাংলাদেশ এবং ভারতে বের হয়েছে বেশ কয়েকটি। জাফর পাঠান ঢাকার প্রায় সবকয়টি সাহিত্য সংগঠনের সাথে জড়িত।

তিনি ২০১৪ সালে “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা”-২০১৪, সেন্টার ফর ন্যাশনাল কালচার সম্মাননা-২০১৪, স্বাধীনতা দিবস সম্মাননা-২০১৫, বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থার পক্ষ থেকে- ‘জীন হেনরী ডুনান্ট স্মৃতিপদক সম্মাননা-২০১৫, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ প্রশাসকের পক্ষ থেকে ‘বাংলা কবিতা উৎসব পদক-২০১৫, সহ বেশ কয়েকটি সম্মাননা পেয়েছেন। জাফর পাঠানের জন্ম ১৯৭০ সালের ০২ অক্টোবর। পিতা: মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফখরুদ্দিন আহমেদ, মাতা: মনোয়ারা বেগম। জাফর পাঠান ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয়। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক (ফাইরুজ লাবীবা ও নাজীফা তাসনিম), স্ত্রী: হেলেনা জাফর (গৃহিনী)। কবি জাফর পাঠান ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার স্থায়ী আদি বাসিন্দা।

কমেন্টস