Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৯ বুধবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

সহকর্মীর সঙ্গে প্রেম : ভালো না খারাপ?

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১০:২৫ AM আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১০:২৫ AM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

একই অফিসে কাজ করা সহকর্মীর সঙ্গে বন্ধুত্ব হতেই পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই সেই বন্ধুত্ব গড়াতে পারে প্রেম, এমনকী বিয়েতেও। কিন্তু কর্মজীবনের মানুষটি যখন হয়ে ওঠে ব্যক্তিজীবনের সবচেয়ে নির্ভরতার সঙ্গী, সেটা কি আদৌ ভালো? জেনে নিন এমন সম্পর্কের ভালো ও খারাপ- দুটো দিক নিয়েই। খারাপ দিক

১. সহকর্মীর সঙ্গে প্রেম হলে ব্যক্তিজীবনেও অনেক সময় হয়ে ওঠে অফিস। সারাদিন চাকরির খাটুনির পর দিন শেষে যখন প্রেমিকের কাছ থেকেও শুনতে হয় সেই একই অফিসের গল্প- তখন জীবনটা পানসে মনে হতেই পারে। বিবাহিতদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা এক কাঠি বাড়া। স্বামী বা স্ত্রী সহকর্মী হলে অনেক সময় অফিসের কাজ বাড়িতেই নিয়ে আসতে পারেন, যা সংসারের অশান্তির জন্য যথেষ্ঠ।

২. সহকর্মীর সঙ্গে প্রেম হওয়ার আরেকটি বড় সমস্যা হলো কোনো স্বাধীন সত্ত্বা না থাকা। অফিসের আট ঘন্টা যার সঙ্গে কাটাচ্ছেন, তার সঙ্গে দিনের বাকিটা সময়ও যদি কাটাতে হয়, তাহলে নিজের জন্য একান্ত মুহূর্ত বের করাটা হয়ে যায় খুবই কষ্টকর। কাজে বা অবসরে- ওই একজনের সঙ্গেই যদি কাটাতে হয়, অনেক সময় সেটা হয়ে ওঠে বিরক্তিকরও।

৩. একই অবস্থানে থাকা সহকর্মীদের মধ্যে প্রেম হলে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই ইগোর সমস্যা দেখা যায়। সমান যোগ্যতা ও অবস্থানের একজনের বেতন অন্যজনের চেয়ে কম হলে সে ঈর্ষান্বিত হবেই। আর সেই ঈর্ষা ক্ষতিগ্রস্ত করে প্রেমের সম্পর্ক করে।

৪. সবচেয়ে বড় সমস্যাটা তৈরি হয় অফিসের অন্য সহকর্মীদের জন্য। অনেকেই বিষয়টিকে ভালো চোখে তো দেখেনই না, বরঞ্চ প্রেমিক জুটির প্রতি পোষণ করেন বিদ্বেষমূলক মনোভাব। এই ধরণের সমস্যা কাজের পরিবেশকেও বিষিয়ে তোলে। এই ধরণের পরিস্থিতি এড়াতেই বেশিরভাগ অফিসে সহকর্মীদের মধ্যে প্রেম বা বিয়ের ব্যাপারে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

ভালো দিক

১. দুই কর্মীর মধ্যে প্রেম অনেক সময় প্রতিষ্ঠানের জন্য আসে আশির্বাদ হিসেবে। কারণ দুজনেই তখন অফিসে সময় কাটায় বেশি, অফিসের ভালোটা তখন দুজনের জন্যই হয়ে ওঠে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, অফিস লাভের মুখ না দেখলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাদের প্রেমও!

২. সাধারণত একই পেশার এবং একই অফিসের জুটিরা, একে অন্যের সমস্যা বুঝতে পারেন অন্যদের তুলনায় আরও ভালোভাবে। আর সেকারণেই অফিস থেকে বাড়িতে ফিরতে কেন দেরি হচ্ছে বা কাজের কারণে কেন যেতে হবে বাইরে- এই ধরণের কৈফিয়ত সহকর্মী প্রেমিক জুটিদের দিতে হয় না। একারণেই চিকিৎসক এবং সাংবাদিকদের মধ্যে সহকর্মীদের বিয়ে করার প্রবণতা বেশি!

৩. সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকলে অনেক সময় অফিসের জটিল সমস্যাগুলো দুজন মিলে ভাগ করে নেয়া যায়। এতে মানসিক চাপও কমে, আবার সম্পর্কের বন্ধনও দৃঢ় হয়।

৪. সহকর্মীর সঙ্গে প্রেম হলে ক্যারিয়ারকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে বাধার চেয়ে সহযোগীতায় মেলে বেশি। সৃজনশীল আলাপন ও দুজনের পরস্পরের কাছ থেকে কাজের নতুন নতুন দিক সম্পর্কেও শেখা যায়।

Bootstrap Image Preview