এখন থেকে কোটার শূন্য পদ পূরণ মেধা থেকে

প্রকাশঃ মার্চ ৭, ২০১৮

ফাইল ছবি

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

সরাসরি নিয়োগে কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা তালিকায় থাকা প্রার্থীদের মধ্য থেকে সেসব পদ পূরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ কথা বলা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়  ২০১০ সালের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মুক্তিযোদ্ধা কোটার শর্ত শিথিল করে অন্যসব সরাসরি নিয়োগে সব কোটার ক্ষেত্রে শূন্যপদে মেধাবীদের নিয়োগের নির্দেশনা দিয়ে এ আদেশ জারি করেছে। চাকরিতে কোটার প্রার্থী না পাওয়া গেলে ওই আদেশে শীর্ষ মেধাবীদের নিয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আদেশে অনুযায়ী, সিনিয়র স্টাফ নার্স- এর ৪০০০ এবং মিডওয়াইফ-এর ৬০০ পদ পূরণের জন্য জনপ্রশাসন ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখের ৫৯ নম্বর সার্কুলারে উল্লেখিত মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণ সংক্রান্ত নির্দেশনা শিথিল করে ওই পদগুলো জাতীয় মেধা তালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করা হবে। এটা এককালীন না হয়ে সব সময় প্রযোজ্য হবে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশ

আদেশে বলা হয়েছে, ‘সকল সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটার কোনো পদ যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পূরণ করা সম্ভব না হইলে সে সেকল পদ মেধা তালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের মধ্য হইতে পূরণ করিতে হইবে।’ তবে একই আদেশে এই কোটার শূন্যপদ পূরণে মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা নিয়ে বিভ্রান্তি ও অস্পষ্টতা চলছিল।

এই আদেশের অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের সচিব, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (এপিডি) দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন,  ‘এই নির্দেশনা বিসিএস ও অন্য সব সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এখন থেকে কোটার পদ শূন্য থাকলে মেধা থেকে পূরণ করা হবে। কোটায় যখন শূন্য থাকবে না তখন নেবো না।,

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও গবেষণা সেলের ২০১৬ সালের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে শূন্য পদের সংখ্যা তিন লাখ ৫৯ হাজার ২৬১টি।

বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনি ৩০ শতাংশ, জেলাগুলোর জন্য কোটা ১০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ কোটা পদ্ধতি সংরক্ষিত। সব মিলিয়ে কোটা পদ্ধতি রয়েছে ৫৬ শতাংশ।

কমেন্টস