৩৬তম নন-ক্যাডারে প্রধান শিক্ষক পদে আগ্রহী নয় প্রার্থীরা

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করার পর এর বাইরে বিসিএসে উত্তীর্ণ ৩ হাজার ৩০৮ জন পরীক্ষার্থীকে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে নন-ক্যাডার হিসেবে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে নন-ক্যাডারদের একটি অংশকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকে হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার ‍সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ কর্মকমিশন (পিএসসি)।

 কিন্তু চাকরিপ্রার্থীরা এই পদে নিয়োগ নিতে অনীহা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এই পদকে দশম গ্রেডে উন্নীত না করে এতে নিয়োগ নিতে চান না।

পিএসসি সূত্র জানায়, ৩৬তম নন-ক্যাডারদের নিয়োগ দিতে তারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে শূন্য পদের চাহিদা চাইছে। এর মধ্যে তারা প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রধান শিক্ষক পদে ৪ হাজার ৩২০টি শূন্য পদের চাহিদা পেয়েছে। এখন এখান থেকে নন-ক্যাডারদের একটি অংশকে নিয়োগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, প্রার্থীর চেয়েও এখানে পদের সংখ্যা বেশি।

কিন্তু জানা গেছে,  প্রার্থীরা অনেকেই এই পদে নিয়োগ পেতে চান না। এর একটি বড় কারণ হচ্ছে, এই পদটি ১২তম গ্রেডের। তাঁদের দাবি, পিএসসি নন-ক্যাডারে নবম ও দশম গ্রেড ছাড়া নিয়োগ দিতে পারে না।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ৩৪তম বিসিএসে নন-ক্যাডার থেকে পিএসপির সুপারিশ করা ৮৯৮ জনের মধ্যে প্রায় ৫০০ জন প্রধান শিক্ষকের পদে যোগদান করেছেন। চাকরিতে যোগ দেননি প্রায় ৪০০ জন। যাঁরা যোগ দেননি, তাঁরা এই পদে আগ্রহী নন বলেই ধারণা মন্ত্রণালয়ের।

৩৬তম বিসিএসে নন-ক্যাডারে থাকা একাধিক প্রার্থী বলেন, প্রধান শিক্ষকের পদ ১২তম গ্রেডের চাকরি। পিএসসির নিয়ম অনুযায়ী নবম ও দশম গ্রেড ছাড়া সুপারিশ করতে পারে না। তারা তীব্র প্রতিযোগিতার পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১৩০০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে যদি ১২তম গ্রেডে নিয়োগের সুপারিশ পান, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ  ব্যাপারে  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন , ‘বিষয়টি নিয়ে আমাদের মন্ত্রণালয় যথেষ্ট চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এখন অর্থ মন্ত্রণালয়ে আটকে আছে বিষয়টি।’ তারা সম্মতি দিলেই এই পদ দশম গ্রেড হবে বলে জানান তিনি।

কমেন্টস