৪ বছরের কন্যা শিশুকে নৃশংস ধর্ষণ!

প্রকাশঃ অক্টোবর ১২, ২০১৫

বিডিমর্নিং ডেস্ক-  

 

৪ বছরের ছোট কন্যা শিশু। চাউমিন খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে অপহরণ। তারপর নৃশংস যৌন অত্যাচার। গোপনাঙ্গ থেকে রক্ত বন্ধ হচ্ছে না। সারা শরীরে বিভিন্ন জায়গায় কামড়। ঠোঁটের রক্তে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, কে বা কারা কামড়েছে তার ঠোঁটেও। দাঁতের চাপে গর্ত হয়ে গেছে। যন্ত্রণা আর ভয়ে কান্নাও থেমে গেছে শিশুটির। সংজ্ঞাহীন। ক্ষতবিক্ষত, রক্তাক্ত শিশু কন্যাটিকে দীর্ঘক্ষণ ধর্ষণ করা হয়েছে। শিশুটির ক্ষত দেখে চিকিৎসকরাও বলছেন, ‘ভয়াবহ’! হ্যাঁ, এবারও সেই দিল্লি।
 

 

দিল্লি দিল্লিই রয়ে গেছে। ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বরের নির্ভয়া-কাণ্ডেরই স্মৃতি উস্কে দিল্লিতে ধর্ষণ করা হল এক শিশুকন্যাকে। ডাক্তাররা বলছেন, মাত্র ৪ বছরের  ওই শিশুটিকে ধর্ষণ করার পর সারা শরীরে কামড় দিয়েছে ধর্ষক। শনিবার দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় শিশুটিকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শরীরে প্রত্যেকটি অঙ্গে ক্ষত। যৌনাঙ্গের রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছিল না। তবে আপাতত স্থিতিশীল। বেশ কয়েকটি অস্ত্রোপচার করতে হবে। তবে প্রচণ্ড ভয়ে শিশুটি থেকে থেকেই কেঁপে উঠছে।

 
উত্তর-পশ্চিম দিল্লির কেশবপুরমের বাসিন্দা ওই শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় শুক্রবার সন্ধ্যায়। পুলিশকে শিশুটি জানিয়েছে, বাড়ির উঠোনে সে খেলছিল। এক অপরিচিত তাকে ১০ টাকা দেয়। বলে, তার সঙ্গে গেলে চাউমিন খাওয়াবে। অবোধ শিশুটি ব্যক্তিটির উদ্দেশ্য ঘূণাক্ষরেও বুঝতে পারেনি। তার যা বয়স, তাতে বোঝা সম্ভবও নয়। এরপরই ব্যক্তিটি শিশুটিকে একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। তাকে নাকি মেরেই ফেলত ধর্ষক, যদি না আশপাশের কিছু ঘটনাটি টের পেত।

 
দিল্লি পুলিশ সূত্রের খবর, ধর্ষণের সঙ্গে শিশুটিকে সারা শরীরে কামড়েছে ধর্ষক। খুন করারই উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা শিশুটির চিৎকারে টের পেতেই, পালিয়ে যায়। ঘটনার এক ঘণ্টা পর যৌনাঙ্গ থেকে রক্ত ক্ষরণ শুরু হয়। মা-বাবা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। অভিযুক্তকে এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি।

Advertisement

কমেন্টস