পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার বিমানের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে রাশিয়া

প্রকাশঃ ডিসেম্বর ৭, ২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক-

পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার বিমান ‘সুখোই-৫৭’র সফল পরীক্ষা চালিয়েছে রাশিয়া। মঙ্গলবার পরীক্ষামূলক এর উড্ডয়ন হয়। দেশটির শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সুখোই এয়ারক্রাফটের প্রধান টেস্ট পাইলট সার্গেই বোগদান বলেন, নতুন ইঞ্জিন সংযোজনের পর ১৭ মিনিট সফলতার সঙ্গেই উড়েছে সুখোই-৫৭।

পঞ্চম প্রজন্মের এই বিমানের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর স্টিলথ প্রযুক্তি বা রাডার ফাঁকি দেওয়ার ক্ষমতা। স্টিলথ ফাইটারগুলোতে এক ধরনের বিশেষ রঙ বা পেইন্ট ব্যবহার করা হয় যা রাডার থেকে ছুঁড়ে দেওয়া শব্দ তরঙ্গকে আর রাডারে ফেরত আসতে দেয় না। ফলে রাডারের পক্ষে ফাইটারকে শনাক্ত করা সম্ভব হয় না।

সুখোই-৫৭ ফাইটারের ককপিটে ব্যবহার করা হয়েছে এনএসটি এসআইভি প্রযুক্তির হেলমেট। তাতে বৈমানিককে জয়স্টিক ব্যবহার ছাড়াই কেবল মাত্র দৃষ্টিশক্তি এবং চিন্তার দ্বারা শত্রু বিমান শনাক্ত ও ধ্বংস করা সম্ভব।

ফাইটারটিতে থাকছে একটি ৩০ মিলিমিটার গ্রায়াযেভ-শিপুনোভ ক্যানন। থাকছে ৪টি আরভিভি ও ২টি আর৭৩ এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল। ভূমিতে নিক্ষেপনযোগ্য ৪টি কেএইচ৩৮ মিসাইল বহন করতে পারবে এটি। থাকছে ২টি জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল। ৪টি এন্টি-রেডিয়েশন মিসাইলও থাকবে বিমানটিতে।

২০১০ সালের ২৯ জানুয়ারি অনানুষ্ঠানিক উড্ডয়নের পর সামরিক বাজারে বেশ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সুখোই-৫৭। প্রাথমিক অবস্থায় ফাইটারটির প্রোটোটাইপের নাম ছিল সুখোই পিএকে টি-৫০। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে দুই মডেলের পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার তাদের বিমান বহরে যুক্ত করলেও রাশিয়া বেশ যত্নের সঙ্গেই তাদের বিমানটিকে আড়ালে রেখেছে। ৫ ডিসেম্বর প্রথম আনুষ্ঠানিক উড্ডয়নের পর ২০১৯ সালে বিমানটির বানিজ্যিকীকরণ শুরু হবে বলে আশা করছে রাশিয়া।

বিমানটির নাম ছিল সুখোই পিএকে টি-৫০। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে দুই মডেলের পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার তাদের বিমান বহরে যুক্ত করলেও রাশিয়া বেশ যত্নের সঙ্গেই তাদের বিমানটিকে আড়ালে রেখেছে। ৫ ডিসেম্বর প্রথম আনুষ্ঠানিক উড্ডয়নের পর ২০১৯ সালে বিমানটির বানিজ্যিকীকরণ শুরু হবে বলে আশা করছে রাশিয়া।

কমেন্টস