এশিয়াজুড়ে আতঙ্ক: যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধ শুরু!

প্রকাশঃ নভেম্বরে ২৯, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ বা অস্ট্রেলিয়া নয় সমগ্র বিশ্বের যেকোনো স্থানে আঘাত হানতে সক্ষম এমন বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। কোরিয় উপদ্বীপ অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। বর্তমানে পরিস্থিতি এমন দাড়িয়েছে যে, যেকোনো মুহূর্তে সেখানে  শুরু হয়ে যেতে পারে ভয়াবহ পরমাণু যুদ্ধ 

পিয়ংইয়ংয়ের স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় দেশটির পূর্বদিক থেকে আন্তঃমহাদেশীয় বিধ্বংসী এই ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

এর তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন,  আমরা এ বিষয়টি দেখবো।

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরপরই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়া  যে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখন্ডের জন্য কোনো হুমকি নয় বলে জানিয়েছে গুয়াম কর্তৃপক্ষ।

তবে উত্তর কোরিয়া আগেই সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়বে তা গুয়ামে আঘাত করতে সক্ষম। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে এ নিয়ে তীব্র উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, উত্তর কোরিয়ার নতুন যে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছুড়েছে তার নাম হাউসং-১৪। দেশটির দক্ষিণ পিয়ঙ্গান প্রদেশ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। উৎক্ষেপনের পর প্রায় ৫০ মিনিটে ১০০০ কিলোমিটার অতিক্রম করে ২৮০০ মাইল উচ্চতায় একটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে জাপান সাগরে পতিত  হয়েছে বলে জানিয়াছে পেন্টাগন।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, আমরা এ বিষয়টি দেখবো। এটা এমন একটি পরিস্থিতি যা আমাদেরকে ‘হ্যান্ডেল’ করতে হবে। ওদিকে ক্ষেপণাস্ত্রটি যখন আকাশে উড়ছিল তখনই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স।

এরপরই হোয়াইট হাউজ থেকে ট্রাম্প বলেন, কিছুক্ষণ আগে উত্তর কোরিয়া থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ব শান্তি, আঞ্চলিক শান্তিকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয়ার জন্য উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জিম মাত্তিস।

কমেন্টস