মার্কিন নাগরিকের ওপর আমিরাতের শেখ পরিবারের নির্যাতন, ১০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ

প্রকাশঃ জুলাই ১৭, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

আমিরাতের শেখ পরিবারের সিনিয়র সদস্যরা এক মার্কিন নাগরিককে আটক করে নির্যাতন করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

১৯৮৪ সালে মার্কিন নাগরিক খালিদ হাসান আমিরাতের রাজপরিবারে ‘আর্মস কনসালটেন্ট’ হিসেবে কাজ করার সময় নির্যাতিত হন। রাজপরিবারের সদস্য ও আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, আমিরাতের প্রেসিডেন্ট খলিফ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদ হিলাল আল-দারমাকি খালিদ হাসানের ওপর নির্যাতনের জন্যে দায়ী বলে লসএ্যাঞ্জেলসের ফেডারেল কোর্টে অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিত ব্যক্তি।

হাসান এও অভিযোগ করেন মোহাম্মদ বিন জায়েদ ব্যক্তিগতভাবে তাকে নির্যাতনের বিষয়টি এড়িয়ে যান।

খালিদ হাসান অভিযোগ করেন, তাকে হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়েছে। ১০ ফুট একটি সেলে তাকে ফেলে রাখা হলেও দিনের পর দিন গরমে তাকে এসি দেওয়া হয়নি। ২০০৯ সালে খালিদ হাসান তার বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করেন। এর কয়েক সপ্তাহ আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ক্ষমতায় আসেন।

এর পর আদালতের এ মামলার কার্যক্রম চলার পাশাপাশি ২০১৩ সালের মে মাসে উভয় পক্ষ খালিদ হাসানকে নির্যাতনে ১০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার শর্তে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এ বিষয়টি যাতে প্রকাশ্যে জানাজানি না হয় তাও ওই সমঝোতার একটি শর্ত ছিল।

ইন্টারসেপ্ট জানাচ্ছে, দুই পক্ষের মধ্যে গোপনভাবে সমঝোতা অনুযায়ী ওই মার্কিন নাগরিককে ১০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা প্রকাশ হয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রে আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ আল-ওতাইবার ইমেইল এ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার পর বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়।

Advertisement

কমেন্টস