‘সালার দি উয়ুরি’তে লবণের তৈরি হোটেল

প্রকাশঃ মে ১৯, ২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক-

খাবার সুস্বাদু করার অতি জরুরি উপাদান লবণ। কন্তু যদি বলা হয় হোটেল বানাতেও লবণ প্রয়োজন? শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি লবণ দিয়ে বানানো আস্ত একটি হোটেলই আছে দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়ায়।

‘সালার দি উয়ুরি’ বশ্বিরে সবচয়েে বড় লবণের মরুভূমি নামে পরচিতি। এখানইে রয়ছেে লবণরে তৈরি বিশ্বের একমাত্র হোটলে। হোটলেটির নাম ‘প্যালেসিও দ্য সল’।
হোটেলটি তৈরি হয়েছে ৩৫ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যরে প্রায় ১০ লাখ লবণের ব্লকে। মেঝ, ছাদ, দেয়াল, বিছানা, ডাইনিং সেট, সোফাসহ পুরো কাঠামোই জমানো লবণের ব্লকে তৈরি।

সেখানে অতিথিরা আপ্যায়িত হন ঐতিহ্যবাহী লবণাক্ত মাংস ও শাক-সবজি দিয়ে। হোটেলটিতে প্রতি রাতে ১৫০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে মেলে রাতের খাবার, সকালের নাস্তা।

‘সালার দি উয়ুরি’র দিগন্ত-বিস্তৃত সল্ট ফ্ল্যাট বা লবণভূমিটি পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজ থেকে সাড়ে তিনশ’কিলোমিটার দূরে মিলবে লবণের এ সাম্রাজ্যটি। ১০ হাজার পাঁচশ’৮২ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত লবণভূমিতে আছে লবণের চাঁই ও হ্রদ। যা পর্যটকদের টেনে আনে।

এ স্থানটি পর্যটকদের প্রিয় হলেও সেখানে ছিলো না থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা। ছিলো না হোটেল নির্মাণের উপাদানও। কেবল লবণের ছড়াছড়ি থাকায় ১৯৯৩ থেকে ‘৯৫ সাল পর্যন্ত তৈরি করা হয় বিশ্বের একমাত্র লবণের প্রাসাদ ‘প্যালেসিও দি সল’। কিছু ত্রুটির জন্য অবশ্য ২০০২ সালে তা ভেঙে ফেলতে হয়। তবে ৫ বছর পর আবারও তৈরি করা হয় এটি।

তবে এ ব্যতিক্রমী হোটেলটিতে থাকতে হলে কিছু শর্তও কিন্তু মানতে হয়। সেখানে ভুলেও দেয়াল ধরা যাবে না। আর মন চাইলেও স্বাদ নেয়া যাবে না কোন কিছুর।লবণ হোটেলে দাঁড়িয়েই লবণ লেকের নান্দনিক রূপ দেখেন পর্যটকেরা। স্বপ্নময় বাস্তবতায় এ যেন অবাক বিস্ময়

Advertisement

কমেন্টস