Advertisement

উ.কোরিয়াকে ভীতি প্রদর্শন করতে গিয়ে সাগরে টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙ্গে পরলো মার্কিন বিমান

প্রকাশঃ এপ্রিল ২২, ২০১৭

Advertisement

আন্তর্জাতিক ডেস্ক-

আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রচণ্ড শক্তিশালী আগাম হামলার হুমকি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। উ.কোরিয়ার পরমাণু হামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাই হয়ে যাবে। পিয়ংইয়ংয়ের প্রচণ্ড শক্তিশালী আগাম হামলায় দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বাহিনী এবং তার চারপাশই কেবল নির্মূল হয়ে যাবে না বরং মার্কিন মূল ভূখণ্ডও ছাই হয়ে যাবে। আর এর প্রতিবাদেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। উ. কোরিয়াকে নজরদারি করার জন্য একটি জঙ্গি বিমানটি পাঠান ট্রাম্প। কিন্তু উত্তর কোরিয়াকে ভীতি প্রদর্শনের জন্যে প্রেরিত মার্কিন রণতরী থেকে একটি জঙ্গি বিমান সাগরে টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙ্গে পড়েছে।

এফ-১৮ ধরনের যে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে তার মূল্য ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট এ জঙ্গি বিমানটি ঘন্টার ১১৯০ মাইল বেগে উড়তে সক্ষম।

এদিকে মার্কিন রণতরী আরমাদা সাড়ে ৩ হাজার মাইল দূরে অবস্থান করায় যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ায় উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হং জুন-পিও ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট রণতরী আরমাদা উত্তর কোরিয়া অভিমুখে পাঠানোর কথা বলেও তা শেষ পর্যন্ত ফিরিয়ে নিয়েছেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে তিনি বলেন, তিনি উত্তর কোরিয়া অভিমুখে যে রণতরী পাঠানোর কথা বলেছিলেন তা দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তার জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এখন বিষয়টি যদি মিথ্যা হয় তাহলে তার শাসনামলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যাই বলুক না কেন তা দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বাস করবে না। দক্ষিণ কোরিয়ার জুংগ্যাং ইলবো দৈনিকে ‘কাল ভিনসন লাই’ শিরোনামে প্রকাশিত এক খবরে শেষ পর্যন্ত মার্কিন রণতরী উত্তর কোরিয়া অভিমুখে না আসার কড়া সমালোচনা করা হয়। ওই বিমানবাহী রণতরীটি ক্ষেপণাস্ত্র বিশিষ্ট আরেকটি যুদ্ধ জাহাস ইউএসএস লেক ক্যাম্পেলেইন’এর সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।

এদিকে মার্কিন রণতরীটি ভারত মহাসাগর থেকে সাড়ে ৩ হাজার মাইল দূরে অবস্থান করছিল। সেখান থেকে একটি এফ-১৮ জঙ্গি বিমান উত্তর কোরিয়ার ওপর নজরদারির এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি রণতরী কার্ল ভিনসনের ওপর অবতরণের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। তবে বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিংবা কোনো পক্ষ তা ভূপাতিত করেছে কি না তা জানা যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী জানিয়েছে, বিমানটির বৈমানিক প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে ফিলিপাইন ও সুলাওয়েসি দ্বীপের মধ্যবর্তী সাগরে মার্কিন রণতরীর ওপর অবতরণের চেষ্টা করছিল।

মার্কিন সামরিক সূত্র দাবি, যুদ্ধবিমানটি এয়ার উইং টু ক্যারিয়ারের অধীনে এবং তা রুটিন ফ্লাইট অপারেশনের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিল। বিমানটির বৈমানিককে নিরাপদেই উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জংউনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আরমাদা রণতরী উত্তর কোরিয়ার অভিমূখে পাঠানো হচ্ছে এবং তা খুব শক্তিশালী। আমাদের সাবমেরিন রয়েছে তাও খুব শক্তিশালী। বিমানবাহী রণতরীর চেয়েও সেগুলো খুবই শক্তিশালী তাও স্মরণ করিয়ে দেন ট্রাম্প।

সূত্র, ডেইলি স্টার ইউকে

Advertisement

Advertisement

কমেন্টস