কাশফুলের মাঝে হারিয়ে যাওয়ার একদিন, তবে দেরী কেন!

প্রকাশঃ অক্টোবর ১৩, ২০১৭

সাদিয়া হোসেন লোপা, এনএসইউ প্রতিনিধি-

শরৎকাল মানেই কাশফুলের আনাগোনা। শরতের স্নিগ্ধ শুভ্রর মাঝে কাশফুল যেন হয়ে উঠে সেই স্নিগ্ধতার প্রতীক। কাশফুলের সাথে আবার দূর্গাপূজারও সম্পর্ক আছে। কি অদ্ভুত না! এক কাশফুল যেন পুরো প্রকৃতি আর প্রাণের উৎসবকে একসাথে তুলে ধরে আমাদের সামনে।

ঢাকার এই ব্যস্ত-যানজটের শহরে মাঝে মাঝে খনিকের জন্য কাশফুলের কিছু অংশ আমাদের কাছে ধরা দেয়। তখন মনের অজান্তেই হয়তো আমরা ভাবি ইশ, যদি নিজের হাতদিয়ে পুরো কাশফুল ধরতে পারতাম কিংবা কাশফুলের মাঝে যেয়ে কিছুক্ষণ সময় কাটাতে পারতাম! এখন অবশ্য খুব সহজই হয়ে গেছে এই কাশফুলগুলোকে নিজের চোখে দেখা কিংবা কিছুক্ষণ কাশফুলের মাঝে সময় কাটানোর। শুধু প্রয়োজন নিজের ব্যস্ততাকে একটু পাশে রেখে মনের ইচ্ছে তৈরি করার। ঢাকার মাঝে আমরা যারা আছি তাদের জন্য খুব দূরে নয় কাশফুল দেখার স্থানগুলো। মিরপুর ডিওএইচ, উত্তরার দিয়াবাড়ী, আফতাবনগর কিংবা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, এসব জায়গায় এখন একটু উঁকি দিলেই দেখা যাবে সাদার স্নিগ্ধতায় ভরা রাশি রাশি কাশফুল।

বিকেল বেলায় এসব স্থানগুলোতে মেলার মত ভীড় জমে যায় শুধু মাত্র দু’চোখ ভরে কাশফুল দেখতে চাওয়া পিপাসুদের জন্যে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরো দুটো বিশ্ববিদ্যালয় থাকায় বসুন্ধরার কাশফুলের স্থানগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের আনাগোনা একটু বেশী। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকে কাশফুলের বাগান রয়েছে।

তা ছাড়া আই ব্লক ছাড়াও বিভিন্ন ব্লকের রাস্তার পাশে কাশফুল দেখা যায়। বসুন্ধরা গেইট থেকে রিক্সা ভাড়া ৪০-৬০ টাকা নিবে সেখানে যেতে। বন্ধুদের সাথে কাশফুল দেখতে যাওয়ার মজাই আলাদা। আর যদি হয় সেলফি কিংবা দলবেধে ছবি তোলার মহোৎসব তাহলে তো আর কথাই নেই! ইদানিংকালে ফেইসবুকের কল্যাণে কাশফুল আরো বেশী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সবার মাঝে। কেননা সবাই আজকাল কাশফুলের সাথে নিজেদের ছবিও ফেইসবুকে আপলোড করে দেখিয়ে দিচ্ছে কাশফুলের শুভ্রতাকে। তাহলে আর দেরী কেনো? কাশফুল শেষ হওয়ার আগেই যাওয়া যাক কাশফুলের মাঝে। একদিন না হয় হারিয়ে গেলেন কাশুফুলের স্নিগ্ধতায়!

Advertisement

কমেন্টস