‘চাই একটি অসাম্প্রদায়িক, উন্নত ও মানবিক বিশ্ব’

প্রকাশঃ সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৭

উইলিয়াম নকরেক-

সবুজের দেশ, ফুলের দেশ, সৌন্দর্যের দেশ ইন্দোনেশিয়া। বহু জাতি, বহু মানুষ, বহু ভাষা, বহু সংস্কৃতির এক বিচিত্র দেশ এই ইন্দোনেশিয়া। আমার কাছে মনে হয়েছে, বৈচিত্র্য ও একতা আর সহিষ্ণুতাই ইন্দোনেশিয়ার সৌন্দর্য। এদেশের সংবিধানই ইন্দোনেশিয়াকে এভাবেই পরিচিত করেছে। ইন্দোনেশিয়ার মূলভাব “একতায় সৌন্দর্য’’। বাক্যটা অসম্ভব রকম ভালো লেগেছে। আরেকজন মনীষী বলেছেন, বৈচিত্র্যই সৌন্দর্য। আমি ইন্দোনেশিয়ার এ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছি। বার বার প্রেমে পড়েছি। সত্যি বলছি, ইন্দোনেশিয়ার প্রেমে পড়ে গেছি।

ইন্দোনেশিয়াই যেতে পারবো চিন্তা করিনি। কিন্তু হঠাৎ করেই এ সুযোগটি পেয়ে গেলাম আইএমসিএস এশিয়া প্যাসিফিকের মধ্য দিয়ে। এশিয়ান ইয়ুথ একাডেমি ও এশিয়ান থিওলজি ফোরাম Asian Youth, Champion for Building a New World: Centering on Peace, Sustainable Developments, Ecological Justice  এই মূলসুরকে কেন্দ্র করে ২২-৩১ জুলাই ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ ইন্দোনেশিয়ার জোগজাকার্তায় ১৬টি দেশের অংশগ্রহণকারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারও যেতে পারবো জেনে একধরণের উত্তজেনা অনুভব করছিলাম। কেননা এটা আমার জন্য দ্বিতীয়বার হবে। অনেক পুরোনো ও নতুন মুখের সাথে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে, বন্ধুত্ব হয়েছে। আইএমসিএস ইন্ডিয়া থেকে আলবেন, জন আর নেইলেন, আইএমসিএস ইন্দোনেশিয়া থেকে টমসন, মাথিলডা, একারিস্তা, আএমসিএস পাকিস্তান থেকে আশিক এদের সাথে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে। সর্বোপরি নিজের জন্য নতুন কিছু নিয়ে আসতে পেরেছি। এই সুযোগের মধ্য দিয়ে আমি মনে করি, এটা আামার জন্য, আমার পরিবারের জন্য, আমার মন্ডলীর জন্য ও দেশের জন্য আশীর্বাদ। কেননা প্রোগ্রাম থেকে আমাকে এই শিকড়ের টানেই আবারও ফিরে আসতে হবে, কাজ করতে হবে। এবং ফিরেও এসেছি। যা শিখেছি, যা পেয়েছি সেগুলো কাজে লাগিয়ে কাজ করছি এবং আরো করবো যতদিন পারি।
2
এশিয়ান ইয়ুথ একাডেমি ও এশিয়ান থিওলজি ফোরাম এ অসাধারণ ট্রেইনিংটি প্রতি বছর এশিয়ান লে লিডারস ফোরাম আয়োজন করে। যার নেতৃত্ব আছে আমাদের আইএমসিএস এর প্রাক্তন সদস্য ড. পৌল হাং। যিনি নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে এশিয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আমরা যুবারা তার কাছে কৃতজ্ঞ এমন একটি আয়োজন ও সুযোগের জন্য। এই প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে এশিয়ার নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ তৈরি করছেন। প্রোগ্রামটি সুন্দর ও স্বার্থক করার জন্য যিনি সব সময় সবার সাথে যোগাযোগ করেন কখনো বিরক্ত হন না তিনি ফেলিসিয়া ডিয়ান। যার সাথে আমার দেখা হয়েছিল ২০১২ সালে আইএমসিএসের এশিয়া প্যাসিফিক কাউন্সিলে, ঢাকা, বাংলাদেশে। সবসময় হাসিমুখে থাকায় যার বৈশিষ্ট। রাত নেই দিন নেই যাকে বিভিন্ন বিষয়ের তথ্যের জন্য যন্ত্রণা দিই। এখনো দিয়ে যাচ্ছি আর এই ব্যক্তিটি মোমবাতির মত দিয়ে যাচ্ছে।

আমি যদিওবা বিসিএসএমের জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি। এই প্রোগ্রামে যাবার কথা ছিলো না। কারণ বাংলাদেশ থেকে শশী সিলভেস্টার পিরিচ ও জর্জ লিংকন রয় এর প্রতিনিধিত্ব করার কথা। কিন্তু সেই সুযোগটি আসলো আমাদের বর্তমান এশিয়া প্যাসিফিকের সমন্বয়কারী রাভি তিশেরার মধ্য দিয়ে। যিনি আইএমএসসিএস কে পুনরায় সংগঠিত করতে যথারীতি যুদ্ধ করে যাচ্ছেন অনবরত। এই ব্যক্তিটিই আএমসিএস এর পক্ষে এই প্রোগ্রামে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেন। কৃতজ্ঞ আমি তোমার কাছে বস।
IMG_1824
২১ জুলাই ২০১৭ ইন্দোনেশিায়াই যাবো নতুন কিছু পাবো এজন্য উত্তেজিত হয়ে আছি। আগের দিন মাত্র কলকাতা থেকে যুব কমিশনের সাথে এক্সপোজার শেষ করে ফিরে এসেছি। তারপরও মানকিভাবে প্রস্তুত নতুন অভিজ্ঞতা নেয়ার জন্য। যথারীতি বোর্ডিং পাস নেয়ার জন্য লাইনে দাড়িয়ে গেলাম। মালেশিয়াই ট্রানজিটি আছে। অনেক বাংলাদেশি মালেশিয়াই যায় কাজের সন্ধানে বা কাজ করতে। এয়ারপোর্টে প্রবেশের পথেই একজন পিতাপুত্রের কান্নারত দৃশ্য দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। নিজের ভেতরটাও হু হু করে উঠেছে। এক অজানার উদ্দেশ্যে যাত্রা। যেখানে সে নিজেও জানে না তার জন্য কি অপেক্ষা করছে। কিন্তু তারপরও অনেকেই ভবিষ্যতের সুখের জন্য এমন অজানার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পত্র-পত্রিকায় দেখি অনেকেই নিজেদের সর্বস্ব জমিটুকু বিক্রি করে দেশের বাইরে যায় একটা কাজের সন্ধানে। আমি বলবো একটুকু সুখের জন্য। বাবা মা, ভাই বোনের হাসির জন্য, সুখের জন্য। বাবা আর ভাইকে জড়িয়ে ধরে সে কি কান্না! সে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্য! এমন হাজারো প্রবাসী শ্রমিক ভাই বোনরেরা প্রতিদিনই কোনো না কোনো দেশে যাচ্ছে একটু সুখের আশায়। কিন্তু সেই সুখ কি তারা পাচ্ছে? সেই সুখের সংবাদ আমরা সংবাদ মাধ্যমগুলোতে দেখি। যখন কফিন হয়ে দেশে ফিরে আসে বা আটকে রেখে টাকা দাবি করে বা অবৈধ্য হওয়ার জন্য কারাগারে বন্ধি থাকে। সেটা আমাদের সবারই জানা। বোর্ডিং পাস নেবার সময় দেখলাম, যিনি বোর্ডিং পাস দিচ্ছেন, তিনি এ মানুষগুলোর সাথে খারাপ ব্যবহার করছেন। কিছুক্ষণ পর পর ধমকাচ্ছেন। অথচ এই ব্যক্তির বেতন এই শ্রমিক ভাইয়ের ঘাম থেকেই আসে, যাকে তার স্যার সম্বোধন করতে হবে; সেই ব্যক্তিটির সাথেই খারাপ ব্যবহার করছে। দূর্বলের উপর সবলের অত্যাচার।

প্রোগ্রামে আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। তারমধ্যে টেকসই উন্নয়ন একটি। এ বিষয় নিয়ে বিস্তর কথা বলেছি। আমরা সবাই মানুষ। কিন্তু আজো সত্যিকারের মানুষ হয়ে উঠতে পারিনি। আমাদের মধ্যে সেই বৈষম্যটা এখনো রয়ে গেছে। যেই বৈষম্যটা পুরো পৃথিবীকে গ্রাস করছে। এই বৈষম্য নামক শব্দটা থাকলে কখনোই টেকসই উন্নয়ন করা সম্ভব না। কেউ খাবে কেউ খাবে না তা হবে না। এই পৃথিবীটা সবার হতে হবে। জানি না সেই ভাইটি কেমন আছে। তারমত এমন হাজারো প্রবাসী শ্রমিক ভাইয়েরা ভালো থাকুক, তারা তাদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে বেঁচে থাকুক। মা বাবা, ভাই বোনের মুখে হাসি ফুটুক, বেঁচে থাকুক হাজারো মা বাবা, ভাই বোনের সুখের হাসি। এমন হাজারো শ্রমিক ভাইদের অধিকারের কথা যিনি বলে চলেছেন, কাজ করছেন, তিনি আমাদের আইএমসিএসের প্রাক্তন সমন্বয়কারী এড্রিয়ান পেরেরা ও আইএমসিএস এর বর্তমান লে চ্যাপলেইন এনি ব্যাট্রেস। স্যালুট আপনাদেরকে। আপনাদের জন্য শুভ কামনা রইলো। জয় হোক অবহেলিত মেহনতি মানুষের।
IMG_1978
ইন্দোনেশিয়াই পৌঁছলাম। ইমিগ্রেসনে দাঁড়ালাম ভিসা নেওয়ার জন্য। অফিসার জিজ্ঞেস করলো কেন এসেছি। বললাম প্রোগ্রাম আছে। কিসের প্রোগ্রাম? সবকিছু বলার পরে একটি রুমে নিয়ে গিয়ে বসালো। রুমে গিয়ে দেখলাম যারা ভিসার জন্য অপেক্ষা করছে প্রায় সবাই বাংলাদেশী। অন্যদের মধ্যে দু’একজন অন্য দেশের আছে।

আমাদের সাথে অন্যান্য দেশ নাগরিক যারা ইমিগ্রেশনে ভিসার জন্য দাঁড়িয়েছিল বিশেষ করে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ইংল্যান্ডের ছিল। কিন্তু সে রুমে তাদের বসতে হয়নি। আমি বিশ্বাস করি এবং সম্মান করি, প্রত্যেকটা দেশেরই একটা নিজস্ব নিয়ম আছে ও আইন কানুন রয়েছে, সন্দেহ হলে জিজ্ঞেস করবে। কিন্তু আইন যদি সবার জন্য সমান হয় তাহলে সবারই সেটা মানতে হবে। সে বড় ছোটো যেই হোক। সবাই সমান। কিন্তু অন্যান্য দেশের নাগরিকদের ওয়েইটিং রুমে বসে অপেক্ষা করতে হইনি। যা আমাদের করতে হয়েছিলো।

বিশিষ্ট শিল্পী ভূপেন হাজারিকার একটা গান আছে, “আমায় একজন সাদা মানুষ দাও যার রক্ত সাদা, আমায় একজন কালো মানুষ দাও যার রক্ত কালো”। এক পৃথিবীর মানুষ আমরা, কিন্তু সবাই এক হতে পারিনি! সবার জন্য সমান সুযোগ বা সমান আইন হইনি।

প্রোগ্রামে টেকসই উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেছি, মানবাধিকার নিয়ে কথা বলেছি, নারীদের অধিকার নিয়ে কথা বলেছি,শান্তির কথা বলেছি, পরিবেশের ন্যায্যতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু বৈষম্য যদি শেষ না হয় তাহলে এ পৃথিবীতে কখনোই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না।

গল্পকার ও ঔপন্যাসিক সমরেশ মজুদার তার একটা উপন্যাসে লিখেছিলেন “গন্তব্যে পৌছার চেয়ে যাত্রাপথ অনেক সুন্দর”। বিভিন্ন দেশের প্রতিবেদন ও বিভিন্ন বিজ্ঞ ব্যক্তিদের সেশন দেখে ও শুনে এটাই বুঝতে পেরেছি আমরা এখনো যাত্রা পথেই আছি। গন্তব্যে পৌছার জন্য এখনো ঢের সময় লাগবে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি প্রতিটা দেশের যুবারা যদি জেগে উঠে সেই দিন আর দূরে নয় কাছেই চলে এসেছে। এই পৃথিবী থেকে একদিন “বৈষম্য” নামক শব্দটি চিরতরে হারিয়ে যাবে। কেননা আমরা যুবারাই “পরিবর্তনের প্রতিনিধি”। কথায় আছে রাত যত গভীর হয়, ভোর তত নিকটে চলে আসে। নতুন ভোরে, নতুন সুর্যোদয়ের অপেক্ষায়। আশা করি সুদিন আসবেই।

IMG_20170725_100700
এক্সপোজারে যাওয়ার সময় ইন্দোনেশয়িার সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্য দেখে অবাক হয়েছি। এক্সপোজারে গিয়েছিলাম তেমাঙ্গুং এ ৪ জন সামাজিক উদ্যোক্তাদের প্রজেক্ট দেখার জন্য। নিজেদের সাধ্যের মধ্যে গড়ে তুলেছেন পরিবেশ নির্ভর খামার, ব্যাম্বো বাইক ও কাঠের রেডিও এর কারখানা, অর্গানিক কৃষি খামার ও অর্গানিক কফির বাগান। নিজেদের প্রচেষ্টায় আজ তারা সমাজে প্রতিষ্ঠিত। ব্যাম্বো বাইক ও কাঠের রেডিও দেশ ও দেশের বাইরেও উৎপাদিত হচ্ছে। এবং প্রচুর চাহিদাও আছে। নিজেদেরই প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছেন একটি সামাজিক বাজার। যেখানে তারা মাসে ৪ বার জমায়েত হয় এবং ঐতিহ্যবাহী খাবার গ্রহণ করেন। নিজেদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করেন। বর্তমান সময়ে নিজেদের কৃষ্টি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখা খুউব কঠিন একটা কাজ। কিন্তু খুউব সুন্দর ভাবে তারা এটি ধরে রেখেছে। পরিবেশ নির্ভর একটি সামজিক উদ্যোগ যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

ঠিক তেমনি অর্গানিক কফির খামার ও অর্গানিক কৃষি খামার দেখে বিমোহিত হয়ে গেছি। তাদের খামারের আশেপাশে সবাই কীটনাশক ব্যবহার করে কফি ও সবজি উৎপাদন করে কিন্তু তারা তাদের নিজেদের উদ্যোগে অগানিনক পদ্ধতিতে উৎপাদন করে যাচ্ছে। তাদের সাথে কথা বলে এও জানলাম, স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাদের কাছে অর্গানিক পদ্ধতিতে সবজি চাষের বিষয়ে শিখতে আসে। যা জেনে ভালো লেগেছে।শুধু তারাই নয় ভবিষ্যতের জন্যও নতুন প্রজন্মদের প্রস্তুত করছে।
IMG_1830
এসব সামাজিক উদ্যোগগুলো যখন ঘুরে বেরিয়েছি নিজের মধ্যে একটা তাড়নাবোধ করেছি, আমিও এমন কিছু একটা করতে পারি কিনা। যথেষ্ট উৎসাহ পেয়েছি, যদিওবা বাংলাদেশের মত এমন একটি দেশে বাস্তবায়ন করা খুবই চ্যালেঞ্জর কিন্তু চেষ্টা করছি, নিজে থেকে কিছু একটা করার। সফল না হই কিন্তু বলতে তো পারবো “আমি চেষ্টা করেছিলাম”। নিজের মধ্যে একধরণের শক্তি আবিস্কার করেছি, নতুন আমিকে খুঁজে পেয়েছি।

টেকসই উন্নয়ন, বৈষয়িক শান্তি, সংলাপ, পরিবেশ সুরক্ষা, আগামীর যুব নেতৃত্ব এরকম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। নতুন করে ভেবেছি কীভাবে নতুন একটা বিশ্ব গড়ে তুলতে পারি আমরা যুবারা মিলে। কেননা, চারিদিকে “বৈষম্য” নামকটা শব্দটা আমাদের গ্রাস করে রেখেছে। মানবাধিকার কর্মী ও বিশিষ্ট কলামিষ্ট, আদিবাসী নেতা সঞ্জীব দ্রং বৈষম্যের কথা বলতে গিয়ে প্রায়ই একটা কথা বলেন, “ ধরেন আজকে যে শিশুটি আফগানিস্তানের কান্দাহারে জন্ম গ্রহণ করলো, আবার একই সাথে নরওয়ের আমস্টারডাম শহরে যে শিশুটি জন্মগ্রহণ করলো তারা কি একই সুযোগ সুবিধা নিয়ে বেড়ে উঠতে পারবে? জাতিসংঘ এসডিজি ২০৩০ গ্রহণের পর “লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ কথাটি এখন বেশ আলোচিত হচ্ছে। অর্থাৎ কাউকে পেছনে ফেলে রাখা যাবে না। কিন্তু বিশ্বে এটাই বেশি হচ্ছে। আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক, উন্নত ও মানবিক বিশ্ব দেখতে চাই। যেখানে সবাই সমধিকার নিয়ে বসবাস করবে। একটি গান আছে ঈশ্বরে কাছে নিবেদন করে, “আমায় তোমার শান্তির দূত করো”। আমরা যুবারাও যেন এইভাবে একত্রিত হয়ে এই গানটি গাইতে পারি। কেননা সময় এসেছে জীবনের সঙ্গে জীবন মিলাবার। পরস্পরের সাথে সেতুবন্ধন রচনা করার।

লেখক: কেন্দ্রীয় সভাপতি বাংলাদেশ ক্যাথলিক স্টুডেন্ট মুভমেন্ট (বিসিএসএম)

Advertisement

কমেন্টস