হাঁসের প্যাক প্যাক শব্দে মুখর গৃহস্থবাড়ির আঙিনা

প্রকাশঃ জানুয়ারি ১১, ২০১৭

এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি-

দ্বীপ জেলা ভোলার অধিকাংশ এলাকার মাঠে ঘাটে হাটে সর্বত্র এখন হাঁসের পাল। হাঁসের প্যাক প্যাক শব্দে মুখর গৃহস্থবাড়ির আঙিনা ও খামার। বেড়েই চলেছে এদের প্রতিপালন। নদী-নালা, বিল, উন্মুক্ত জলাশয় এবং মাছের খামারে হাঁস লালন পালন করে সংসারের বাড়তি আয় করছেন অনেকেই।

সম্প্রতি গ্রামাঞ্চলে ঘুরে দেখা গেছে, জেলায় অসংখ্য খাল-বিল ও নদী-নালা অবস্থিত। এসব নদী-নালা খরার মৌসুমে শুকিয়ে গেলেও বর্ষা মৌসুমে যৌবন ফিরে পায়। এসব জায়গায় হাঁসের খামারিরা গড়ে তুলেছেন তাদের স্বপ্নের হাঁসের খামার।

হাঁসগুলো সারাদিন নদী, পুকুর বা খালে-বিলেই চরে বেড়ায়, রাতে নেওয়া হয় নদী ও বিলের পাড়ের অস্থায়ী খামারে। দিনভর নদী ও খালে ঘুরে ঘুরে প্রাকৃতিক খাবার খায়। বাড়তি খাবার দেওয়ার তেমন প্রয়োজন পড়ে না। আর এভাবে এ অঞ্চলে প্রায় কয়েক’শ হাঁসের খামার গড়ে উঠেছে।

এসব খামারে অল্প খরচে যেমন হাঁস পালন করা সম্ভব হচ্ছে তেমন লাভবান হচ্ছে খামারিরা। অপরদিকে বেকারত্ব দূরীকরণেও রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

স্থানীয় খামারিরা জানান, মাত্র ৩০ টাকা দরে হাঁসের বাচ্চা কেনার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেন, হাঁস পালনে খরচ কম, ডিম দেওয়া পর্যন্ত একটি হাঁস পালনে খরচ হয় ৮০ থেকে ১’শ টাকা। চার/পাঁচ মাস বয়স হলে একটি হাঁস আড়াই’শ থেকে ২’শ আশিটি ডিম দেয়।

আবার মাছের খামারে হাঁস পালন করে প্রচুর টাকা আয় করছেন অনেকেই, এছাড়া নদী ও বিল কেন্দ্রিক খামারিদের হাঁস পালনে তেমন একটা খরচ নেই বলেই চলে। অল্প পুঁজি খাটিয়ে এই ব্যবসা করা যায়, তবে শীত মৌসুমে এ অঞ্চলে হঁসের চাহিদা বেড়ে যায়। তাই অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে হাঁস পালনে এগিয়ে আসছেন।

 

Advertisement

কমেন্টস