বন্ধু যখন কুকুর

প্রকাশঃ আগস্ট ৩, ২০১৬

ফারুক আহমাদ আরিফ-
মানুষে মানুষে বন্ধুত্ব হয়। হয় মানুষে আর ভিন্নপ্রাণীর মধ্যেও। বন্ধুত্বকে সব সময় হয়তো সংজ্ঞায় ফেলানো যায় না। কখন কার সাথে কার বন্ধুত্ব হবে সে কথা বলা সহজ নয়। এমনও তো দেখা গেছে দীর্ঘদিন এক সাথে চলাফেরা করেও কারো সাথে সখ্যতা গড়ে উঠেনি। আসেনি বন্ধুত্বের সুন্দর ফ্রেমে।

আবার এমনও হয়েছে অজানা বন্ধু, ব্যক্তির অগোচরে তার বন্ধুত্বের নিদর্শন রেখে গেছে অহরহ। এ জন্য অনেকেই প্রাণও দিয়েছেন তার প্রমাণ সমাজে, দেশে অহরহ।

বাতাসের গতি, সূর্যের অালোকে যেমন রোধ করা অসম্ভব তেমনি বন্ধুত্বের আবেদনকেও অস্বীকার করার কোন পথ বা জানালা নেই।
সাংস্কৃতিক জগতে চার্চি চ্যাপলিনকে চেনেন না এমন ব্যক্তি হয়তো কমই পাওয়া যাবে। এ ডগস লাইফ ফিল্মে তিনি একটি কুকুরকে অন্য কুকুরদের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে গিয়ে নিজে কতটা জীবন হুমকীর মুখে পড়ে ছিলেন। অথচ এ কুকুরটি ইতিপূর্বে তার সাথে কোনক্রমেই পরিচিত ছিল না। ইচ্ছে হলে চলচ্চিত্রটি দেখে নিতে পারেন।

অন্যান্য কুকুরদের আক্রমণ থেকে বাঁচানোর পর তার জীবনের রংটায় যায় পাল্টে। যে চার্চি কাজের জন্য সবার প্রথমে কারখানায় ঢুকেও একটি ওয়ার্ক পার্মিট পায়নি অন্যদের শৃঙ্খলা বহির্ভূত কাজের জন্য। বার বার তাকে লাইন থেকে ছুড়ে ফেলা হয়েছে।

খাবারের জন্য দোকান থেকে, হোটেল থেকে হতে হয়েছে বিতাড়িত। সেই চার্চি যখন কুকুর সাথে সাথে কোথাও গিয়েছে সেখানেই দেখা দিয়ে সৌভাগ্য।

ছিনতাইকারীদের ম্যানিব্যাগ যেটা পাল্টে দেয় তার জীবন, সেটার সন্ধানও দেয় বন্ধু কুকুরটি।

এক সময় পরিচয় হয় হৃদয়ের মানুষের সাথে। বাঁধেন স্বপ্নের ঘর, সুখের সাগরে ভাসে তাদের জীবন। কৃষি কাজে চার্চি বুনেন স্বপ্নের বীজ। আর তাদের কুকুরটিও এক সময় দু’সন্তানের জননী হয়ে উঠে। পাঁচজনের পরিবারে নেমে আসে স্বর্গীয় সুখ। আর এভাবেই একটি কুকুর পাল্টে দিল জীবনের গল্প। ইচ্ছে হলে চুপিচুপি দেখে নিতে পারেন চলচ্চিত্রটি।

Advertisement

কমেন্টস