Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৮ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৩ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

প্রধানমন্ত্রীকে মনের কথা বললেন ববিতা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৮, ১০:৫১ AM আপডেট: ১১ জুলাই ২০১৮, ০৫:০৮ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং বিনোদন ডেস্ক- গত রবিবার (৮ জুলাই) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের চলচ্চিত্র শিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য ২৬ টি ক্যাটাগরিতে ৩২ জন শিল্পী ও কলাকুশলীকে দেয়া হয় এ পুরস্কার। দেশের চলচ্চিত্র শিল্পে অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬’ এ আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন ববিতা। বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকার পাশে থাকবে জানিয়ে নির্মাতাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখনকার সময় কেইবা পারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে। বিশেষ করে অভিনয় জগতের কোন চিত্রশিল্পী। আর সেই মুহূর্তটি পেয়ে হাতছাড়া করেননি বাংলাদেশের সোনালি যুগের এই অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা। ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেম মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা হয় ববিতার। ববিতা প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সে সময়টা কাজে লাগালেন। মনের ইচ্ছের কথাটা আর নিজের মধ্যে চাপিয়ে না রেখে উপস্থিত অন্যসব অতিথিদের সামনেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের ইচ্ছের কথা জানিয়ে দিলেন। এদিনে বরেণ্য এই অভিনেত্রীর হাতে আজীবন সম্মাননার পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শেষেই বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ হয় ববিতার। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘রাজ্জাক ভাই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। এ দেশের চলচ্চিত্রে তাঁর অবদান অনেকে। আমি চাই প্রয়াত শিল্পী নায়করাজ রাজ্জাকের নামে একটি ইনস্টিটিউট করা হোক। অথবা রাজ্জাক ভাইয়ের স্মৃতি অমর করে রাখতে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভকে তাঁর নামে নামকরণ করা হোক।’ ববিতা আরও বলেন, ‘জীবনের শেষ সময়টাতে অনেক শিল্পী ও কলাকুশলীকে দুঃখ-কষ্টে জীবন পার করতে হয়। জীবনের এই সময়টাতে শিল্পী ও কলাকুশলীরা যেন অন্তত নিজের ঘরে থাকা ও সুচিকিৎসার অধিকারটুকু পান, সে ব্যবস্থা যেন প্রধানমন্ত্রী করে দেন।’ অতঃপর প্রধানমন্ত্রী ববিতার বক্তব্যে বলেন, ‘চলচ্চিত্র দেশ ও সমাজের উন্নতির জন্য অনেক ভূমিকা রাখতে পারে। একটা সময় ছবি দেখা বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। এখন মানুষ আবারও ছবি দেখছে। এটা আনন্দের খবর। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে, এমন বিষয় সিনেমায় তুলে ধরা প্রয়োজন।’ চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের উদ্দ্যেশে যা বললেন, 'সময় পেলেই আমিও চলচ্চিত্র দেখি। আমাদের দেশে এখন অনেক ভালো চলচ্চিত্র হয়। সব সময় তো দেখতে পারি না, তবে বিমানে যখন দেশের বাইরে যাই, চলার পথে ছবি দেখি। এ ছাড়া অন্য সময় তো খুব একটা সুযোগ পাই না। সারা দিন মিটিং আর ফাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়।’
Bootstrap Image Preview