হুমায়ুন ফরীদিকে ডিভোর্স, সৌদকে বিয়ে প্রসঙ্গে সুবর্ণা মুস্তাফার জবাব

প্রকাশঃ জুলাই ২৯, ২০১৭

বিডিমর্নিং বিনোদন ডেস্ক-

অভিনয়ের কিংবদন্তী পুরুষ প্রয়াত হুমায়ুন ফরীদি। ব্যক্তিজীবনে অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘ ২২ বছরের সংসার জীবন শেষে ২০০৮ সালে বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা। ফরীদিকে ডিভোর্সের পর নির্মাতা বদরুল আলম সৌদকে বিয়ে করেন সুবর্ণা মুস্তাফা।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষৎকারে নিজের জীবনের একেবারেই ব্যক্তিগত কিছু প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। সেখানে উঠে এসেছে ফরীদির সঙ্গে বিচ্ছেদ এবং সৌদকে বিয়ের কারণ।

এ প্রসঙ্গে সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, ‘যখন সিদ্ধান্ত নিলাম আমি আর ফরীদি একসাথে থাকবো না, থাকিনি। যখন সিদ্ধান্ত নিলাম আমি আর সৌদ বিয়ে করবো, করেছি। এত দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ার বয়স তো অনেক আগেই পার হয়ে গেছে। আমার ব্যক্তিগত জীবন সবসময়ই ব্যক্তিগত রাখতে পছন্দ করি।’

তিনি আরো বলেন, ‘হুমায়ুন ফরীদি আর আমি যখন বিয়ে করেছি তখন তো দর্শকদের অনুরোধে করিনি। তাহলে বিচ্ছেদের সময় দর্শকদের অনুমতি নিতে হবে বা কাউকে স্যরি বলতে হবে কেন?’

দর্শকদের প্রতি সম্মান রেখে সুবর্ণা বলেছেন, ‘তবে হ্যাঁ একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে আমি জানি একধরনের কৌতুহল দর্শকদের থাকবেই। তাই চেষ্টা করেছি সম্পর্কগুলো সম্পর্কে ওপেন থাকতে। আমি নিজেই বিচ্ছেদ এবং দ্বিতীয় বিয়ের খবর মিডিয়াকে জানিয়েছি। কারণ আমি তো প্রচলিত আইনের বিরুদ্ধে কিছু করছি না। আর দ্বিতীয় বিয়ে যে পৃথিবীতে এই প্রথম ঘটলো তা নয়, আর কনের চেয়ে বরের বয়স কম এটাও প্রথম ঘটনা নয়।’

হুমায়ুন ফরীদির সঙ্গে দীর্ঘ সংসার জীবন প্রসঙ্গে সুবর্ণা বলেন, ‘ব্যক্তি ফরীদি সম্পর্কে আমি খুব অল্পই বলবো যতটুকু বলতে চাই। কারণ তিনি তো নেই তার স্বপক্ষ সমর্থন করতে বা দ্বিমত প্রকাশ করতে। তাই তাকে নিয়ে কথা বলাটা অশোভন। হুমায়ুন ফরীদিকে ডিভোর্সের পর আমাদের বিয়ে হয়েছিল। তখন যদি বিয়ের দু’বছর পর আমাদের বিচ্ছেদ হতো সেটা একটা কথা হতো। তার সাথে ২২ বছর ছিলাম। ২২ বছর একটি লম্বা সময়। ২২ বছর কোনও ফাজলামি না। ২২ বছর তো অনেকের আয়ুও হয় না। সুতরাং এটা নিয়ে আর কথা বলার কিছু আছে বলে মনে হয় না। তবে যেকোনো বিচ্ছেদই দু:খের অবশ্যই।’

ফরীদির সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘পারস্পরিক সম্মান, বন্ধুত্ব বিয়েতে খুব জরুরি। ভালোবাসা কিন্তু থাকে। কিন্তু বন্ধুত্ব আর সম্মানের জায়গাটুকু যদি নড়বড়ে হয়ে যায় তখনই ওই বিয়ের আর কোনও মানে হয়না। ফরীদির সঙ্গে থাকার মত পরিস্থিতি ছিলনা, তাই ছিলাম না।’

Advertisement

কমেন্টস