শিল্পকলায় আবারও ‘সুরগাঁও’য়ের সুর আর অসুরের দ্বন্দ্ব

প্রকাশঃ এপ্রিল ২৭, ২০১৭

Advertisement

বিডিমর্নিং বিনোদন ডেস্ক-

‘সুরগাঁও’ নাটকের মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর নির্দেশনায় ফিরেছেন দেশের খ্যাতিমান নাট্যকার মাসুম রেজা। নাটকটির আগের প্রদর্শনী গুলো ইতোমধ্যে দারুণ প্রশংসিত হয়েছে। পেয়েছেন দর্শকের ভালোবাসা এবং গুণীজনদের প্রশংসার বাণী। এরই ধারাবাহিকতায়৪র্থ ও ৫ম প্রদর্শনী আগামী ৩০শে এপ্রিল ও ১লা মে সন্ধ্যা ৭ টায় শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালায় নাটকটির মঞ্চায়ন হচ্ছে।

‘সুরগাঁও’ নাটকের গল্পে উঠে আসে একটি অচেনা গ্রামের কাল্পনিক কাহিনী। যে গ্রামে আনাল ফকির, আসমান, ছুহি, হাক্কা ব্যাপারি, বাঁশিবুড়ি, ওষ্ঠকালা, নীহাররঞ্জন, কাবিল, কুশি ও মুজাহেবদের বাস। গ্রামের গোড়াপত্তনকারী আনাল ফকির ১৮০ বছর আগের কোনো একরাতে হঠাৎ উধাও হন। বাঁশিবুড়ির হাতে দিয়ে যান এক মোহন বাঁশি। বলে যান বাঁশির সুর দিয়ে মানুষের ভেতরের অসুরতাকে দূর করতে। সেই থেকেই বাঁশিবুড়ি থানা থেকে আসামি নিয়ে এসে বাঁশি বাজানো শেখায়। আর আসমান তার চার পুরুষের পরের বংশধর এবং ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা।

সে দেখে তার ‘চাইর দাদা’ আনাল ফকির আবার গাঁয়ে ফিরছেন। একদিন সত্যিই হাজির হন আনাল ফকির। সময়ের বিপরীতে ১৮০ বছর প্রত্নকাল ভ্রমণ করেন তিনি। পাণ্ডব ভার্যা দ্রোপদী, সক্রেটিসের বন্ধু ক্রিটো ও দামেস্কোর আমীর অমূল্য কিছু উপহার দেন তাকে। কালের বিপরীতে ভ্রমণ ও কালের গর্ভ থেকে মূল্যবান সামগ্রী চুরির অভিযোগে তাম্রসেনার দল ঢুকে পড়ে সুরগাঁওয়ে। কালরক্ষীর পরিচয় দেওয়া সেনারা সময়কে শৃঙ্খলায় ফিরিয়ে আনতে চায়। সুরগাঁওয়ে শুরু হয় সুর আর অসুরের দ্বন্দ্ব।

পুরো নাটকজুড়ে ফুটে উঠবে অতীত ও বর্তমান সমাজের নানা অসঙ্গতি। ধর্মযুদ্ধ, অবিচার থেকে শুরু করে শাসকগোষ্ঠীর নানা অত্যাচারের দৃশ্য।

Advertisement

Advertisement

কমেন্টস