ঝিনাইদহের ঐতিহ্য লালন ফকির

প্রকাশঃ আগস্ট ১৪, ২০১৬

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-

ঝিনাইদহের লালন ফকির বাংলাদেশ সহ ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক সাধকদের মধ্যে অন্যতম। গান্ধীরও ২৫ বছর আগে, ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম, তাকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দেয়া হয়েছিল।

“জাত গেল জাত গেল বলে-একি আজব কারখানা, সত্য কাজে কেউ নয় রাজী-সবই দেখি তানা না না”

সময়ের কালপর্বে প্রায় দুইশত বছরেরও অধিক পূর্বে নিতান্তই সাধারন এক অজঁ পাড়াাগায়ের প্রিয় কুটিরে বসে যে মানুষটি সৃষ্টি করেছেন আত্মদর্শন ও মানবতাবাদী এরকম অসংখ্য পদ আর উপহার দিয়েছেন নতুন এক আধ্যাতিকতা ও আত্মদর্শনের জগত, তিনিই ফকির লালন শাহ্।

চরম অস্তিত্ত্ব ও পরম তত্ত্বের সন্ধানী লালন নিজ গ্রাম ঝিনাইদহের হরিশপুর থেকে চলে গিয়ে কুষ্টিয়ার শেউড়িয়ার আখড়াতেই প্রকাশ করেছিলেন তার ঐশি জ্ঞানের দিব্যবানী।

সাইঁজী লালনের সঙ্গীতগুলো চরম জ্ঞানবাদের, দেহ তত্ত্বের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন ও সকল অন্তর্মূখী অবস্থাকে লক্ষ করে বিস্তারিত প্রসঙ্গমূলক সঙ্গীত।

‘লালন’ – তিন অক্ষরের রূপক এক নাম ! ‘লা’ মানে ‘না’, ঞযব ঘড়, মহাশূন্য, আধ্যাত্মিকতার শেষস্তর ! ‘লা’ কে যিনি লন তিনিই লালন; অর্থাৎ যে সাধক বস্তুুবিশ্বের ভিড় ছাপিয়ে দেহমনে মহাশূন্যতাকে গ্রহণ করেন ! মানবীয় ক্ষুদ্র ‘আমিত্ত্ব’ অর্থাৎ ‘হ্যা’ কে যিনি সম্পূর্ণ বিসর্জন দিয়েছেন।

তিনি জাগতিক নন, মহাজাগতিক ! ‘লালন’ যিনি স্বয়ং দেহমনে মহাশূন্যের আকর কেতাব। লালন নিজেই স্বয়ং মহাভাবসমুদ্র।

(বিস্তারিত আসছে…)

কমেন্টস