‘ক্ষণ’ ধারণে দক্ষ চিত্রগ্রাহক জুবায়ের

প্রকাশঃ ডিসেম্বর ১০, ২০১৭

জুবায়ের বিন ইকবাল

মেরিনা মিতু।।

‘নতুন’ কিংবা ‘নূতন’ দুটোয় পার্থক্য কি তা বিশদ জানা নেই। জানার ইচ্ছেটাও হয়তো নেই। কাঠের ফ্রেমে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠা সরষে ফুলের মাঝে দুরন্ত কিশোরীর ছুটে যাওয়াটাকে উপলব্ধি করতে পেরে নিজের ছেলেবেলায় হারিয়ে যাওয়া। আর ডুবন্ত শাপলার মতো জলে গা ভাসানো সবকিছুই ‘স্থিরচিত্রে’র মধ্যে নিয়ে আসা একজন চিত্রগ্রাহকের নিজস্ব নিপুণতা।

শহরের যে ক্ষণে আমরা থাকি যুগের পর যুগ, সময়ের বিপরীতে, আবেগের স্পর্শকাতড়ে। সেই ক্ষণগুলকে নতুন আর নূতনভাবে দেখতে পারার কাজটি যে করে থাকেন তিনি একজন জুবায়ের বিন ইকবাল। তাঁর পরিচয়ে একজন চিত্রগ্রাহকই না , একইসাথে একজন সংগঠক এবং একজন সমাজসেবকের ছাপ দেখা যায়। অনুমতি গ্রাহ্য না করেই মানুষের মনে নতুন সব ভাবনার উদয় করে দেয়া এই ব্যক্তির নিজস্বতা সম্পর্কে হয়তো আলাদা করে বুঝা দায়, যতোক্ষন না তাঁর সাথে সামনাসামনি সাক্ষাত হচ্ছে।

‘হোটেল মম ইন’ এর কাজের একটি চিত্র

চিত্রের সাথে সংযোগ করে ক্যামেরাটাকে নিজের একমাত্র মেশিন হিসেবে কাঁধে তুলে নেয়। ঘুরে বেড়ানোর এক অদ্ভুত নেশা রয়েছে জুবায়েরের। তবে পকেট ভর্তি টাকা, ব্যআগ ভর্তি জামা না থাকলেও, ছবি তোলার সরঞ্জাম যেনো না হলেই নয়। যেখানেই যান এই দর্শন প্রিয় মানুষ তুলে নিয়ে আসেন ‘ক্ষণ’।

শখের বর্শে করা ফটোগ্রাফি আজ জুবায়েরের নিজের পেশা এবং নিজস্বতা। কাজ করেছেন হোটেল মম ইন এর সাথে।

তরুণদের কে দিয়ে থাকেন স্বেচ্ছামূলক কাজের প্রশিক্ষণ। করিয়ে থাকেন ফটোগ্রাফি নিয়ে নানান সব সেমিনার। তাছাড়াও তরুণদের দিক নির্দেশনা দিয়ে সুযোগ করে দেন। বের করে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন, তাদের মধ্যেকার থাকা সব নিপুণতা।

‘ক্ষণ’ ধারণে তাঁর নিজের যে ভাবনা তা যেনো আকাশ ছোঁয়া রুপ নিতে পারে সেই ধারাবাহিকতায় তাঁর নিজস্বতা অব্যাহত থাকুক তাঁর জন্য প্রকৃতির আশির্বাদ চিরায়ত।

কমেন্টস