জাবিতে খেলার মাঠে মারামারি: আহত ৭

প্রকাশঃ ডিসেম্বর ৬, ২০১৭

রাহুল এম ইউসুফ, জাবি প্রতিনিধি:

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বুধবার বিকালে চ্যান্সেলর কাপ ফুটবল খেলা চলছিল। আল বেরুনী হল বনাম মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রদের এই খেলায় হঠাৎ সংঘর্ষ বাঁধে। এতে ৭ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। একজনের অবস্থা গুরুতর।

আহতদের মধ্যে জনি লাংবাং নামের এক শিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এছাড়া এম এইচ হলের সালমান, ফয়সাল (সরকার ও রাজনীতি-৪৫), অন্তর (নৃবিজ্ঞান-৪৩), এনায়েত (ইংরেজি-৪৬), আল বেরুনী হলের, আব্দুল্লহ আল মামুন (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক-৪৩), জামশেদ আলম (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক-৪৩) আহত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানানা, মীর মশাররফ হোসেন হলের খেলোয়াড় সালমান শাহ (ইতিহাস-৪২) বল নিয়ে আক্রমনকালে জনি লাংবাংয়ের বাঁধার মুখে সালমান মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ে। রেফারী জনিকে হলুদ কার্ড দেখায়। এ সময় সালমান ইচ্ছাপূর্বক জনিকে লাথি দেয়। জনি তখন পাল্টা লাথি মারলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে মীরশরাফ হোসেন খোলোয়াড় হলের মাসুম এগিয়ে এসে জনিকে ঘুষি মেরে মাটিয়ে ফেলে দেয়। বিষয়টি উভয় পক্ষের খেলোয়াড় ও দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সংঘর্ষে বাধে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের ডা. শামছুল আলম লিটন বলেন, আহতদেরকে প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। গুরুতর আহত হওয়ায় জনি লাংবাংকে সাভারের একটি বেসরকারী হাসপালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সে গুরুতরভাবে মাথায় আঘাত পেয়েছে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উভয় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আল বেরুনী হলের শিক্ষার্থীরা লাঠি সোঠা নিয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ করছে। যে কোন সময় অপ্রীতিকর অবস্থার আশঙ্কা রয়েছে।

খেলা পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক কৌশিক সাহা বলেন, আমরা রেফারীর সাথে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবো।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, মারধরের বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি । তদন্ত শেষে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, যে কোন ধরণের দুর্ঘটনা মোকাবেলা করতে প্রক্টরিয়াল বড়ি মাঠে তৎপর রয়েছে।

কমেন্টস