৩২ মাসের বাহাদুর বাবুর দাম হাকা হচ্ছে সাড়ে ৭ লাখ

প্রকাশঃ আগস্ট ৮, ২০১৮

সংগৃহীত ছবি

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

আর কিছুদিন পরেই কোরবানীর ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে এতদিন খামারে লালন পালন করা পশু বিক্রি করার জন্য বাজারে উঠাচ্ছেন খামারিরা। কয়দিন পর থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পশুগুলো আনা শুরু হবে রাজধানী ঢাকাসহ বড় বড় শহরে।  

এসব কোরবানীর পশুর এক একটার দাম হাকা হয় অনেক। এই যেমন ফরিদপুর শহরতলীর মুন্সীবাজার দেওড়া গ্রামের নিতাই লাল সাহার ছেলে দেবদাস সাহা দেবু দীর্ঘ ৩২ মাস লালন-পালন করেছেন বাহাদুর বাবুকে (নিজের বাড়ির গাভির বাচ্চা)। কোনো প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য ছাড়া নিজের বাড়ির খড়, ভুষি, লবণ ও ক্ষেতের কাঁচা ঘাস খাইয়ে বড় করেছেন বাহাদুর বাবুকে।

বিশাল আকৃতির বাহাদুর বাবুকে কোরবানির ঈদের জন্য ক্রয় করতে ও দেখতে দেবুর বাড়িতে ভিড় করছে ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা। বিশ মণ মাংসের বাহাদুর বাবুর দাম তিনি হাকিয়েছেন সাড়ে ৭ লাখ টাকা। ইতোমধ্যেই বাহাদুর বাবুর দাম উঠেছে সাড়ে ৫ লাখ টাকা। ঈদের বাকি আরও কিছু দিন। সেজন্য আরও কিছু ক্রেতাকে দেখাতে চান বাহাদুর বাবুর মালিক।

দেবদাস সাহা দেবু বলেন, সারা বছরই আমরা খামারের দুধের গাভি পালন করি। তবে কোরবানির মওসুমে কিছু ষাড় কিনে মোটাতাজা করি। নিয়মিত স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশনের মাধ্যমেই এই খামারের গরু মোটাতাজা করা হয়। কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করা হয় না। কিছুদিন আগে আমার খামার থেকে একটি দুধের গাভি (২৫ লিটার দুধের) বিক্রি করেছি সাড়ে ৩ লাখ টাকা। তিনি এই খামারের মাধ্যমেই সাবলম্বী হয়েছেন।

খামারিরা স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাইয়ে ফরিদপুরে ৩৫ হাজার ৯০৭টি পশু প্রস্তুত করেছে খামারিরা। কোনো প্রকার ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যমুক্তভাবে এসব পশু পালন করা হয়েছে বলে জানান খামারিরা। আর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গরু মোটা-তাজা করণে খামারিদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করার কথা।

উল্লেখ্য, ফরিদপুরে এবার কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ২২ হাজার ৭৬৭টি গরু ও ১৩ হাজার ৭৯৭টি ছাগল-ভেড়া বিক্রির জন্য প্রস্তুত আছে।

কমেন্টস