শিক্ষিকার বাসায় পড়তে গিয়ে লাশ; ৩ মাস পর হত্যার রহস্য উদঘাটন!

প্রকাশঃ জুলাই ২০, ২০১৮

ফাইল ছবি

মেরিনা মিতু।।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে শিশু সানজিদা আক্তারের (১০)ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ধর্ষণ ও হত্যার আলামত পাওয়া গেছে। এই ঘটনার অভিযোগে অবশেষে আটক করা হয়েছে  শিক্ষক দম্পতি।

ঘটনার প্রায় তিন মাস পর ময়নাতদন্ত রিপোর্টে শ্বাসরোধে হত্যার আলামত পাওয়ার পর শুক্রবার (২০ জুলাই) যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ওই শিক্ষক নুসরাত ও তাঁর স্বামীকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এরপরই মামলায়  গ্রেফতার দেখানো হবে ওই দম্পতিকে।

গত ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানা এলাকার ফুলকলি হাইস্কুলের শিক্ষিকা নুসরাত জাহান মনির বাসায় প্রাইভেট পড়তে যান শিশু সানজিদা। এরপর ওই বাড়িতে শিক্ষিকার শয়নকক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় শিশুটির লাশ পাওয়া যায়। সন্ধ্যায় সানজিদার বাবা শাহজাহান ও মা জান্নাতিকে জানানো হয়, তাদের মেয়ে খেলার ছলে গলায় ফাঁস দিয়েছে। পরে সানজিদার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে পাঠায় পুলিশ।

ঘটনার দিন সানজিদার বাবা পিকআপ চালক শাহজাহান ও মা জান্নাতি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, নুসরাতের স্বামী মোরশেদ তাঁদের মেয়েকে ধর্ষণ করে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে। সানজিদার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তা হয়নি। পরে পুলিশ অপমৃত্যুর মামলা হয়।

এ বিষয়ে ডিএমপির ডেমরা জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম বিডিমর্নিংকে বলেন, আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেয়েছি। সেখানে শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা বলা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছিল। আমার এখন হত্যা মামলা নেবো।

কমেন্টস