কুড়িগ্রামে দুই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশঃ মে ১৫, ২০১৮

প্রতীকী ছবি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় পৃথক স্থানে দুই স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চন্দ্রখানা বৈরাগীটারী ও কবির মামুদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ধর্ষণের শিকার হয় ওই দুই ছাত্রী যথাক্রমে উপজেলার চন্দ্রখানা বৈরাগীটারীর গোলাম রব্বানীর মেয়ে ও দাসিয়ারছড়া কামালপুর মইনুল হক নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং কবির মামুদ গ্রামের আশরাফুলের মেয়ে ও ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী।

আহত ওই ছাত্রীদ্বয়কে পরিবারের লোকজন মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ধর্ষণকারীরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় ধর্ষিতার পরিবারকে নানান ভয়ভীতি প্রদর্শণ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধর্ষিতার পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চন্দ্রখানা বৈরাগীটারী গ্রামের গাজীউল হক কানুর ছেলে রিজু মিয়া দীর্ঘদিন থেকে দাসিয়ারছড়া কামালপুর মইনুল হক নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ওই স্কুলছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এতে ওই ছাত্রী রাজি না হলে গত শনিবার রাতে প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে গেলে বাড়ির উঠান থেকে তার মুখ চেপে শারিরিক নির্যাতন চালায়।

পরের দিন রবিবার (১৩ মে) সকালে তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে ফুলবাড়ী উপজেলা হাসপাতাল এবং পরে তার অবস্থার অবনতি হলে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ধর্ষিতা শিক্ষাথীর মা হনুফা বেগম জানান, আমার মেয়ের ধর্ষণকারী রিজুর উপযুক্ত শাস্তি চাই। যেন আর কোন মেয়ের এমন সর্বনাশ না ঘটায়।

অন্যদিকে উপজেলার কবির মামুদ গ্রামের আশরাফুল ইসলামের মেয়ে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে লালমনিরহাট সদরের উত্তর বরুয়া কুলাহাট এলাকার কোরবান আলীর ছেলে মাইদুল ইসলাম (২৭) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে পরিবারের লোকজন ওই ছাত্রীকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে রিপোর্ট লেখার সময় ফুলবাড়ী থানায় একটি মামলা রুজু হলেও অপর মামলাটির এখনো প্রস্তুতি চলছে।

ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ফুয়াদ রুহানী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কমেন্টস