প্রধানমন্ত্রীর সুইচ টিপলেই মহাকাশে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হবে বাংলাদেশ

প্রকাশঃ এপ্রিল ২৫, ২০১৮

স্যাটেলাইট-বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

মাত্র কয়েকদিন পরই  মহাকাশে নিজস্ব উপগ্রহের মালিক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপিত হলেও এর সব কাজ পরিচালিত হবে দেশ থেকে। গণভবন থেকে সুইচ চেপে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর  মহাকাশে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘স্পুটনিক-ওয়ান’ পাঠায়, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন। এরপর একে এই তালিকায় নাম লেখায়- যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জাপান, চীন, যুক্তরাজ্য, ভারতসহ ৫৬টি দেশ। আর ৫৭তম দেশ হিসেবে স্বপ্ন বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ।

‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্পে’র মেয়াদকাল, ২০১৪ সালের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন। তবে এর প্রস্তাব আসে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দিকে।

মহাকাশ বিজ্ঞানী আব্দুল মোসাব্বের চৌধুরী জানান, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট স্থাপন হলে আমাদের যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও সেই সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

রাশিয়ার কাছ থেকে ১৫ বছরের জন্য কেনা কক্ষপথটির দাম পড়েছে প্রায় ২২০ কোটি টাকা। তবে পছন্দমতো কক্ষপথ না পাওয়ায়, সার্কসহ এশিয়ার কিছু দেশে এর সুবিধা মিললেও, মধ্যপ্রাচ্যে পাওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সে এটি উদ্বোধন করলেও যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় থাকবেন তার তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে এটি উৎক্ষেপণ হলে তার মাস দুয়েক পর্যন্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে। ওই পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সফলতা পাওয়ার পর তা ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া যাবে।

ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের কাছ থেকে কেনা হলেও এটি পরিচালিত হবে গাজীপুরের গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে। এর জন্য মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের একটি প্রতিনিধি দলকে প্রশিক্ষিত করে প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে মুল তত্বাবধানে প্রথম তিন বছর সহায়তা করবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানটি। তবে সবকিছু নিয়ে এখন পুরো প্রস্তুত গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন।

কমেন্টস