রায়পুরে ২ সন্তানের জননী পরকীয়ার সময় ধরা পড়লো ননদের জামাইয়ের হাতে!

প্রকাশঃ এপ্রিল ২১, ২০১৮

বিশেষ প্রতিনিধি।।

স্বামীর অগচরে পরকীয়ায় ধরা খেলেন ২ সন্তানের এক জননী। তার নাম শাহানাজ। তিনি পরিবার পরিকল্পনার মাঠ কর্মী হিসাবে কাজ করেন। লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুরে মঙ্গলবার রাতে দক্ষিন চরবংশী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে চরকাছিয়া গ্রামের কাজি বাড়িতে হাতে নাতেধরা পড়েন ঐ গৃহবধু। ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায়  পরকীয়ার অভিযুক্ত আবদুর সাত্তার।

এলাবাসী জানান, দক্ষীন চরবংশী ইউনিয়নের কাজি বাড়ির সোয়াবিন ব্যবসায়ী মো. আলী ১০ বছর পূর্বে বিয়ে করেন চরলক্ষী গ্রামের মৃত. সৈয়দ সর্দারের মেয়ে। পরিবার পরিকল্পনার মাঠ কর্মী শাহানাজের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। চাকুরি করার সুবাদে স্বামী সন্তান রেখে প্রায় সময় বিভিন্ন অজুহাতে বাড়ির বাইরে থাকতো শাহানাজ।

কয়েক দিন আগে স্বামী মো. আলীর খালাতো ভাই আবদুর সাত্তার তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আলী ব্যবসায়িক কাজে বাজারে থাকায় আবদুর সাত্তার ও শাহানাজকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পায় শাহানাজের ননদের জামাই। তিনি বিষয়টি শশুর শাশুড়িকে জানান। লোকলজ্জার ভয়ে পরিবারের সদস্যরা ধামা চাপা দেয় বিষয়টি। কিন্তু ঘটনাস্থলে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার পরপরই আবদুর সাত্তার পালিয়ে যায়। কিন্তু শাহানাজকে উত্তম মাধ্যম দিয়ে সর্তক করে শশুর ও শাশুড়ি।

শাহানাজ ও আবদুর সাত্তারকে একসাথে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময় ঘুরতে দেখেন এলাকাবাসী।নাম প্রকাশ না করার শর্তে  অনেকেই বলেন, তারা লঞ্চ কেবিনে এক সাথে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমনে যেত। স্থানীয় এলাকায় তাদের এমন চলাফেরায় মিশ্র প্রতিক্রীয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী এই ব্যভিচারের শাস্তির দাবী জানিয়েছে প্রশাসনের কাছে।

তবে স্ত্রীর বিরুদ্ধে এতকিছু রটে গেলেও স্বামী মো. আলীর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, একটি মহল আমাদের পরিবোরের সুনাম নষ্ট করার জন্য মিথ্যাচারে উঠে পড়েছে। যার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ সেই সাত্তার আমার আপন খালাতো ভাই। সেই আমার বাড়িতে মেহমান হিসেবে বেড়াতে আসছে। আর আমি সময় দিতে না পারায় দেবরের সাথে কোন জরুরি কাজ থাকলে বের হয়। আমার বউ ভালো ঘরের মেয়ে। সে পরকীয়া করতে পারে না। আর যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় তাহলে পারিবারিক বিষয়টি পারিবারিকভাবেই আমরাই সমাধান করবো।

কমেন্টস