পটুয়াখালীতে আধিপত্য বিস্তারে আ.লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, অফিস ভাংচুর

প্রকাশঃ এপ্রিল ১৭, ২০১৮

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর বাউফলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আ’লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় যুবলীগের এক নেতা আহত হয়েছেন ও দলীয় অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার নওমালা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত যুবলীগের কাবিলা মৃধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরের হাট এলাকায় নওমালা আবদুর রশিদ খান ডিগ্রী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বেল্লাল হোসেনের সঙ্গে যুবলীগ কর্মী কাবিল মৃধার কথা কাটাকাটি হয়। এসময় কাবিলাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এ ঘটনার জের ধরে দুপুর ১টার দিকে ইউনিয়ন যুবলীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে নগরেরহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে টিভিসহ আসবাবপত্রের ব্যাপক ভাঙচুর করে। এসময় জাহাঙ্গীর হোসেনের খাবার হোটেল, শাহিনের শান্তা ফ্যাশন, জামালের ওয়ার্কশপে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়।

দলীয় ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র নওমালা ইউপি চেয়ারম্যান ও জাতীয় শ্রমিক লীগের বাউফল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহজাদা হাওলাদারের সাথে নওমালা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বিশ্বাসের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। কামাল হোসেন দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করে আওয়মী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহজাদা হাওলাদারের কাছে হেরে যান। সেই থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা ও মামলার ঘটনা ঘটে আসছে। জানা গেছে, এ পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ টির মত মামলাও হয়েছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমেন্টস