মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুর শ্যামলী আইডিয়ালের শিক্ষার্থী নিহত

প্রকাশঃ মার্চ ২২, ২০১৮

আরিফ চৌধুরী শুভ।।

দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিল আল আমিনের বন্ধু সাকিল। পিছনেই বসা ছিলো আল আমিন। হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় পড়ে যায় দুজন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ৮টার সময় আল আমিনের মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী সদর হাসপাতালের ডাক্তার ও ১৯ নং তেয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওমর হোসাইন বুলু।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বুধবার আনুমানিক সাড়ে ৩টায় খুব দ্রুত গতিতে মোটর সাইকেল চালিয়ে নতুন তেয়ারীগঞ্জ বাজার থেকে পুরাতন তেয়ারীগঞ্জ বাজরের দিকে যাচ্ছিল তারা। দুই বাজারের মাঝামাঝি যাওয়ার পর হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় পড়ে যায় আল আমিন ও তার বন্ধু।

নিহত আল আমিন লক্ষ্মীপুর শ্যামলী আইডিয়ালের একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। আল আমিন ১৯নং তেয়ারীগঞ্জ ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি বোরহান উদ্দিন চৌধুরীর দ্বিতীয় ছেলে। বোরাহান উদ্দিনের বড় ছেলের নাম আমজাদ হোসেন শুভ। আল আমিনের ‍আকস্মিক মৃত্যুতে সহপাঠি ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোক নেমে আসে।

ধারণা করা হচ্ছে মোটরসাইকেলের চাকা স্লিপ করলে ব্যালেন্স হারিয়ে পড়ে যায় তারা। পিছনে বসা আল আমিন মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রচুর আঘাত পান। মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে দেখে ঘটনাস্থলের লোকজনই তাদের দ্রুত লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু পরিস্থিতির অবনতি দেখে লক্ষ্মীপুর থেকে নোয়াখালীতে নেওয়া হয় আল আমিনকে। নোয়াখালী সদর হাসপাতালের ডাক্তার রাত সাড়ে ৮টার দিকে  আল আমিনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

আল আমিনের মৃত্যুতে লক্ষ্মীপুরের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক জানিয়েছেন। ১৭ নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল হাসান রনি লিখেছেন,`পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কষ্ট ও ভারী হলো পিতার কাঁধে পুত্রের লাশ। আমাদের কাকাকে আল্লাহ ধৈর্য্য ধারণ করার শক্তি দিক।’ খবর শোনার সাথে সাথে অনেকেই ছুটে গিয়েছেন নিহতের বাড়িতে।

আল আমিনের চলে যাওয়াটা যেন সহজে মেনে নিতে পারছেন না তার সহপাঠিরাও। আল আমিন ভবানীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৫ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিল।

কমেন্টস