তালতলীতে ইউপি নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ

প্রকাশঃ মার্চ ১৩, ২০১৮

খাইরুল ইসলাম, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলীতে ঘোষিত অনুযায়ী ২৯ মার্চ ১টি ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের স্বজনপ্রীতি করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টা দিকে তালতলী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এর মধ্যে সবার প্রথম চেয়ারম্যান প্রার্থদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল বাসার বাদশা (নেীকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ বাহাদুর (ধানের শীষ), চরমোনাই মনোনীত প্রার্থী মোঃ সুলতান মাহমুদ (হাত পাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জি.এম মোশারেফ বিশ্বাষকে (ঘোড়া) পায়।

সংরক্ষিত সদস্যসহ সাধারণ সদস্যর পছন্দের প্রতীক (মার্কা) লটারির মাধ্যেমে প্রতীক না দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। শারিকখালির ২ নং ওয়ার্ডের শামিম মৃধার তার পছন্দে প্রতিক ছিলো ফুটবল ও একই ওয়ার্ডের মজিবুর রহমানের একই প্রতীক ছিলো কিন্তু নির্বাচন অফির্সার মোঃ আলিমউদ্দিন লটারি ছাড়াই মজিবুর রহমানকে ফুটবল প্রতীক দিয়েছে ও শামিম মৃধাকে তালা প্রতীক দিয়েছে। এতে শামিম মৃৃর্ধার সর্মথনদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

শামিম মৃধা জানান, আমার পছন্দের প্রতীক ছিলো ফুটবল, কিন্তু আমার প্রতিদ্বন্ধী মজিবুর রহমান এর একই প্রতীক ছিলো। নির্বাচন অফিসার আমাকে বলছে যে আগে ফরম জমা দিয়েছে সেই ফুটবল পাবে এজন্য আমাকে তালা দিয়েছে নির্বাচন অফিসার। আর আমি নতুন তাই কিছু না বোঝার আগেই আমাকে বিদায় করেছে এবং লটারিও দেয় নাই।

উপজেলা নির্বাচন কমিশনার ও রিটানিং অফিসার মোঃ আলিমুদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের আইনে বলা আছে প্রতীক বরাদ্দের সময় রিটার্নিংঅফিসারের সিদ্ধান্তই চুরান্ত সিদ্ধান্ত।

জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ দুলাল তালুকদার জানান, দুই প্রার্থীর যদি একই প্রতীক থাকে আর প্রার্থীদের মধ্যে সমযোতা না হয় সেক্ষেত্রে লটারির মাধ্যেমে প্রতীক দেয়া হয়। তবে আমি খোজ খবর নিয়ে দেখছি।’

কমেন্টস