জীবননগর হাসপাতালে ২লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় ৪ জন ডাক্তার 

প্রকাশঃ মার্চ ১৩, ২০১৮

মোঃমিঠুন মাহমুদ, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধিঃ

জীবননগর হাসপাতালে ২ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ৪জন ডাক্তার নিয়োজিত রয়েছে। সদ্য ৩১ শয্যা থেকে উন্নিত হওয়া ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার সংকটে চলছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। ডাক্তার ও নার্সদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা না পাওয়ায় রোগীরা চরম হতাশা নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করছে।

জানা গেছে, জীবননগর উপজেলার ৫০ শয্যা হাসপাতালটিতে ১৫জন চিকিৎসক থাকার কথা কিন্তু সে স্থলে বর্তমানে ওই হাসপাতালটিতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৪ জন চিকিৎসক। এদের মধ্যে ডাঃ হেলেনা আক্তার নিপা মেডিকেল অফিসার, ডাঃ মাহমুদ বিন হেদায়েত সেতু আবাসিক মেডিকেল অফিসার,খাতা কলমে জুনিঃ কনঃ সার্জারী ডাঃ রফিকুল ইসলামের নাম থাকলেও হাসপাতালে হাজিরা দেওয়া ছাড়া আর তিনাকে হাসপাতালে দেখা যায় না তিনি তিনার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান নিয়েই  দীর্ঘ সময় ব্যস্ত থাকেন এবং ডাঃ রফিকুল ইসলাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে কর্মরত আছেন রোগীর চাপ এলে তিনিও চিকিৎসা প্রদান করেন ।
প্রশাসনিক কাজে নিয়োজত থাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তার পক্ষে বহিঃবিভাগে রোগী দেখা সম্ভব হয় না অনেক সময় ।

এছাড়া হাসপাতালটিতে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী পদে থাকার কথা ৬০ জন আছে ৪৮জন, চতুর্থ শ্রেণীর আয়া, ওয়ার্ড বয় ও সুইপার এর পদে থাকার কথা ২১জন আছে ১৬জন।

এব্যাপারে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলামের সাথে চিকিৎসক সংকটের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টি ৩১ শয্যা আছে ৫০ শয্যায় অবকাঠামো হয়েছে এখনো পরিপূর্ণ ভাবে সরঞ্জামাদি ও লিখিত অনুমোদন পাইনি। আমরা এখন আমাদের এই হাসপাতালে প্রতিদিন আউটডোর রোগী দেখি প্রায় ৪০০জন ও ৫০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়। আমাকে এখানে ১৫ জন চিকিৎসক দরকার আর আছে মাত্র ৪জন। সিভিল সার্জন মহদয়কে আমাদের হাসপাতালে আরো চিকিৎসক ও কর্মচারী প্রণয়নের চাহিদা জানিয়েছি। আশা করি খুব শীঘ্রই আমরা চিকিৎসক সংকট থেকে নিরসন পাবো এবং হাসপাতালে আগত রোগীদের আরো উন্নত চিকিৎসা দান করতে পারবো।

চুয়াডাঙ্গা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ খাইরুল আলম এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে একটি হাসপাতালে আগে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ জন চিকিৎসক চিকিৎসা সেবা প্রদান করতো কিন্তু বর্তমানে ট্রেনিং এবং বদলি জনিত কারণে চিকিৎসক সংকটে পড়তে হচ্ছে এই সংকট শুধু জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একা নয় অনেক উপজেলায় চিকিৎসক সংকট চলছে। বর্তমান সরকার ৬০০০ হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দিবেন তখন আমাকে চিকিৎসক সংকটের নিরসন হবে। এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত এ উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট পূরণ করা হোক।

কমেন্টস