প্রথমবারের মত শহীদ মিনারে জ্বলছে ৫০০১ মোমবাতি

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৮

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

এবছরই প্রথমবারের মতো নতুন শহীদ মিনারের বেদীতে একুশের ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাবে যশোর জেলা শহরের আপামর জনগণ। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় নবনির্মিত শহীদ মিনারে ৫ হাজার ১টি মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের আয়োজন করা হয়।

মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের আয়োজন করে স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন চাঁদের হাট। এসময় যশোরের ১০১ জন বিশিষ্ট নাগরিকসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও পেশাজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা থেকেই দেশত্বোবোধক সঙ্গীত পরিবেশন করেন যশোরের শিল্পীরা।

জানা গেছে, ১৯৫৪ সালে যশোর মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজের পুরাতন ক্যাম্পাস এবং ১৯৬২ সালে একই কলেজের নতুন ভবনের সামনে স্থায়ীভাবে শহীদ মিনার স্থাপিত হয়। তবে যশোরবাসীর প্রাণের দাবি ছিলো স্থায়ীভাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের।

সেই প্রাণের দাবি পূরণ করতে যশোর পৌরসভার মেয়র ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চাকলাদার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। যশোর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পুরাতন ভবনের পাশে পৌরসভার অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে এই শহীদ মিনার। মূল বেদীর উপর মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে পাঁচটি মিনার। আর মূল বেদী থেকে ৮টি সিঁড়ির স্তর নেমেছে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে। শহীদ মিনার মঞ্চের মেঝের কাজও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। টাইলস বসানো হয়েছে পুরোটা মিনার প্রাঙ্গণ জুড়ে।

তবে সময় স্বল্পতায় পুরো কাজ সম্পন্ন না হলেও আগামীতে শহীদ মিনার কম্পাউন্ডে ওয়াটার বেড থেকে বইবে ৫টি মনোরম ঝর্ণা। গার্ডেন বেডে রোপণ করা হবে রকমারি সব বাহারি গাছ। শহীর মিনার আঙিনার বিভিন্ন স্থাপনার গায়ে টেরাকোটা করা হবে। টেরাকোটার মাধ্যমে বাংলা বর্ণমালার পাশাপাশি লেখা হবে একুশের চেতনা নিয়ে বিভিন্ন কথামালা।

সাতাশ শতক জমির ত্রিকোণ আঙিনার উপর ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে গড়ে তোলা হবে এই শহীদ মিনার। আপাতত মূল বেদীসহ মিনার নির্মাণের কাজে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা। পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরো কাজ সম্পন্ন করার ব্যয় নির্ধারণ চলছে বলে জানিয়েছে যশোর পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ।

কমেন্টস