সুন্দরবন সুরক্ষায় উপকূলবাসীর ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮

বিডিমর্নিং ডেস্ক:

সুন্দরবন ও নিজেদের সুরক্ষার জন্য বন সংলগ্ন উপকূলবাসী ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ মানবসৃষ্ট নানাবিধ কারণে বিশ্ব ঐতিহ্য, পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এবিষয়টি বিবেচনায় এনে উপকূলবাসী ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু করা হয়েছে।

৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম নোনা জলাভূমির এই বাদাবন। প্রায় ৭শ’ প্রজাতির জীব-বৈচিত্রের সমারোহ এই বনে। এর মধ্যে গাছই রয়েছে ২শ’ ৩৪ প্রজাতির।

সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকাবাসীর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বনের ওপর নির্ভরশীল। ক্রমাগত আহরণের ফলে সম্পদের পরিমাণ কমছে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অতি আহরণের ফলে বৃক্ষরাজির পরিমাণ অনেক কমেছে।

সামুদ্রিক ঝড়, জলোচ্ছ্বাসের মত প্রকৃতিক দুর্যোগে সুন্দরবন উপকূলবাসীর ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনতে ম্যানগ্রোভ বনায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ কারণেই উপকূলবাসী ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু করেছে।

উপকূল এলাকায় ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনতে সামাজিক বনায়নের প্রয়োজন বলে মনে করেন সুন্দরবন একাডেমির প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির।

আর, সামাজিক বনায়ন গোটা সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূল এলাকায় ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যেই এই প্রকল্প গ্রহণ করেছে বন বিভাগ; জানালেন খুলনার বন সংরক্ষক আমির হুসাইন চৌধুরী।

সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূল এলাকায় সামাজিক বনায়ন সম্প্রসারিত হলে বনজ সম্পদের ওপর নির্ভশীলতা কমবে। ফলে সুরক্ষা মিলবে বনজ সম্পদের। টিকে থাকবে উপকূল এলাকার প্রকৃতিক ভারসাম্য।

কমেন্টস