জেলেদের জালে ধরা পড়লো ২০ মণ ওজনের খটক মাছ, খেলে ভালো হয় দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসার, হৃদরোগ ও যক্ষ্মা!

প্রকাশঃ নভেম্বর ৫, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে বিশাল আকৃতির একটি খটক মাছ ধরা পড়েছে। মাছটির ওজন প্রায় ২০ মণ। লম্বায় ১৮ থেকে প্রায় ২০ ফুট। সামুদ্রিক এই খটক মাছ রান্না করে খেলে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসার, হৃদ ও যক্ষ্মা রোগ ভাল হয় এমন বিশ্বাস স্থানীয়দের।

শনিবার বাগেরহাটের শরণখোলা মৎস্য আড়তে খটক মাছটি কেটে এক হাজার টাকা কেজি দরে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হয়। বেলা ১টা পর্যন্ত হাজার টাকা দরে ২শ কেজি মাছ মানুষ কিনে নিয়ে গেছে।মূলত: দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসার, হৃদ ও যক্ষ্মা রোগ ভাল হয় এমন বিশ্বাসের জায়গা থেকে বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকেরা মাছ কিনতে শরণখোলা মৎস্য আড়তে ছুটে আসেন।

তবে, খটক মাছ খেলে দূরারোগ্য ব্যাধি নিরাময় হওয়ার বিষয়টিতে বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেছে স্থানীয় মৎস্য বিভাগ।

মাছটির বিক্রেতা আড়তের মালিক জানান, এক সপ্তাহ আগে গভীর সাগরে জেলেদের জালে খটক মাছটি ধরা পড়ে। এলাকায় এ মাছের ব্যাপক চাহিদা থাকায় দুই লাখ টাকায় মাছটি খুলনার জেলেদের কাছ থেকে কেনা হয়। মাছটি কাটার আগে এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। এজন্য শত শত লোক এটি দেখতে আড়তে ছুটে আসে। মাছটি কেটে বর্জ্য ফেলে দেয়ার পর প্রায় ১৪ মণ মাছ পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত ২০০ কেজির মতো বিক্রি হয়েছে। বাকি মাছ বিক্রির জন্য ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ মাছ বিক্রি হলে তার ৩ লাখ টাকা লাভ হবে।

শরণখোলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, এ মাছ খেলে ক্যানসার ভালো হয় এমন কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তবে, সামুদ্রিক এ মাছে প্রচুর মিনারেল ও খনিজ লবণ রয়েছে। যা মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী।

শরণখোলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, খটক মাছ খেলে ক্যানসার, হৃদ ও যক্ষ্মা ভালো হয় কি-না জানি না। কারণ এমন কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তবে সামুদ্রিক এ মাছ মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী। কারণ প্রচুর মিনারেল ও খণিজ লবণ রয়েছে এ মাছটিতে।

কমেন্টস