ডোমারে ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

প্রকাশঃ অক্টোবর ১২, ২০১৭

তোজাম্মেল হোসেন মঞ্জু, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি :

নীলফামারী জেলার ডোমারের ২৫ টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন গুলো এখন শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের জন্য আতংকের কারন। এসব মেয়াদ উত্তির্ণ ঝুকি পুর্ণ ভবনে অপসারনের  তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে জীবনের ঝুকি নিয়ে  চলছে পাঠদান। একদিকে ভেঙ্গে পড়ার আতংক অপরদিকে অসামজিক লোকদের দৌড়াত্ব দুই মিলে উভয় সংকটের মাঝে দিন পার করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ঝুকিপূর্ণ ভবন আছে এমন কয়েকটি বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, সত্তরের দশকে নির্র্মিত এই ভবনগুলোর কতগুলো প্রায় ১যুগ আগেই ঝুকিপূর্ণ ঘোষনা করা হয়েছে। নিজের রুগ্ন চেহারার ভার বইতে না পেরে অনেক ভবনের অংশ বিশেষ, নিজ থেকেই খসে পড়ছে।

 দরজা- জানালাচুরি হয়েছে অনেক আগেই।  অথচ দীর্ঘ দিনেও ভবন গুলো অপসারণের তেমন কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। অপরদিকে অরক্ষিত থাকায় মাদক সেবি ও জুয়ারীদের অভয় অরণ্যে পরিনত হয়েছে এসকল ভবন।

চিকনমাটি ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়শা করিম বলেন, তাদের বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটি সত্তরের দশকে নির্মিত। প্রায় ১ যুগ আগে এই ভবনটিকে ঝুকিপূর্ণ ঘোষনা করা হলেও তা অপসারনে কথা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও তেমন কোন ফল হয় নাই। বহিরাগত ও বখাটেদের আড্ডাখানায় পরিনত হয়েছে ভবনটি। টিফিনের সময় আমাদের অগচরে শিক্ষার্থীরা ঝুকিপূর্ণ ভবনের ছাদে উঠে খেলা করছে। এতে যে কোন সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

বড়রউতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসনেয়ারা জানান, আমার বিদ্যালয়ের ভবনটি ভেঙ্গে পড়ায় শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় খোলা মাঠে রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে পাঠদান করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান মন্ডল জানান, উপজেলার ২৫টি ঝুকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন অপসারনের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বরাবরে প্রাক্কলন মূল্য নির্ধারনের জন্য ১বছর আগেই তালিকা দিয়েছি। দু/একদিনের মধ্যে প্রাক্কলনের কাজ শেষ হলে আমরা টেন্ডার আহবান করবো।

Advertisement

কমেন্টস