নীলফামারীতে ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক

প্রকাশঃ সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭

এম ইসলাম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধি-

নীলফামারী জেলাসহ উপজেলাগুলোতে ব্যাঙ্গের ছাতারমত গজিয়েছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক সংযুক্ত ডায়াগনস্টিক ও ডেন্টাল কেয়ার ক্লিনিক। জেলায় ছোট বড় একশত ১২টি এ জাতীয় বেসরকারি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ডেন্টাল কেয়ার ক্লিনিক চলমান রয়েছে।

নীলফামারী সিভিল সার্জন সূত্র জানায়, এর মধ্যে ৬৮টি ক্লিনিক লাইসেন্সবিহীনভাবে ধামাচাপা দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে নীলফামারী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। এ ছাড়াও কিছু কিছু সেবাদানকারী ক্লিনিক (প্রতিষ্ঠান) এখনও নবায়ন পর্যন্ত করেনি।

সিভিল সার্জন ডা. রনজিৎ কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডা. মমতাজুল ইসলাম মিন্টু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আসাদ মিয়া, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মনিরুজ্জামান মনি, সহকারী পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার) মো. আলতাব হোসেন, মদিনা ডায়াগনস্টিকের মালিক মো. রশিদুল ইসলাম, তিস্তা ক্লিনিকের মালিক, মাসুদ পারভেজ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, আগামীকাল থেকে লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিকগুলোর সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বলা হয় প্রক্রিয়াধীন যেসব ক্লিনিক রয়েছে তারা দ্রুত কাগজ পত্র ঠিকটাক করতে পারলে কার্যক্রম চলবে অন্যথায় সেগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সিভিল সার্জন বলেন, জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের ক্লিনিক মালিকদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এসময় জেলার ৬৮টি ক্লিনিকে মালিক, ম্যানেজার, ল্যাব টেকনিসিয়ান ও সাংবাকিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, খবর নিয়ে জানা গেছে, জেলার ডিমলা উপজেলার সরকারি হাসপাতালের সামনেই বেশকয়েকটি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পোষ্ট অফিস মোড়ে একটি ক্লিনিক রোগীদের জিম্মি করে প্রতিনিয়তই অর্থ হাতিয়ে নিলেও অজানা কারণবশত তারা বহাল তবিয়তে রয়ে গেছে।

Advertisement

কমেন্টস