ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হলেন রোবায়েত ফেরদৌস

প্রকাশঃ আগস্ট ১৯, ২০১৭

খায়রুল ইসলাম-

মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, মানবাধিকারকর্মী ও সংগঠক রোবায়েত ফেরদৌস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক পদে উন্নীত হয়েছেন। চলতি বছরের ১৭ আগস্ট তাকে এই পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের কর্মজীবন শুরু হয় সাংবাদিকতা করার মধ্য দিয়ে। তারপর ১৯৯৭ সালে ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন তিনি। দীর্ঘ ২০ বছর শিক্ষকতার সাথে যুক্ত থাকাকালে ১৭ আগস্ট-২০১৭ তিনি সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে উন্নীত হয়েছেন।

এ পর্যন্ত অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা ১৮টি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হচ্ছে, শিশু-বিষয়ক সাংবাদিকতায় অনুসরণীয় নির্দেশিকা, বাংলাদেশের হিজড়া সমাজঃ অনুধ্যান ও করণীয়, দুর্নীতি, সুশাসন ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম ও আদিবাসীঃ সংবাদপত্রে আদিবাসী বিষয়ক খবর পরিবেশনের ধরণ, জেন্ডার সংবেদনশীলতা ও প্রজননস্বাস্থ্য, জেন্ডার যোগাযোগ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদন সংকলন, পাণ্ডুলিপি পোড়ে না,  বিশেষ জনের বিশেষ সাক্ষাৎকার, নির্বাচন ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ ইত্যাদি।

তার শিক্ষকতা জীবন শুরুর পর থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ২৯টি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। প্রভাষক হিসেবে প্রকাশিত নিবন্ধ সংখ্যা তিনটি যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পত্রিকা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাডকমসো জার্নালে প্রকাশিত হয়।

সহকারী অধ্যাপক হিসেবে প্রকাশিত নিবন্ধ সংখ্যা ১০টি যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টাডিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পত্রিকা, ঢাবি সামাজিক বিজ্ঞান পত্রিকা, বুক চ্যাপ্টার ও অন্যান্য জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

এ ছাড়াও ১৬টি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে সহযোগী অধ্যাপক থাকাকালীন সময়ে যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টাডিজ, ঢাবি দর্শন ও প্রগতি জার্নাল, ঢাবি সামাজিক বিজ্ঞান পত্রিকা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জার্নাল, বুক চ্যাপ্টার ও তামিলনাড়ু বিশ্ববিদ্যালয় জার্নালে।

অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ২০১২ সাল থেকে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এসইউবি) এর জার্নালিজম, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস তথ্য অধিকার, আদিবাসী, গণমাধ্যম ও রাজনীতি এবং সমসাময়িক বিষয়ে জাতীয় পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করেন। মানবাধিকার আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক তিনি, টকশো উপস্থাপনায় সুনাম ও সুখ্যাতি রয়েছে।

কমেন্টস