কুড়িগ্রামে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি

প্রকাশঃ আগস্ট ১৩, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

অবিরাম বর্ষণ আর উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে নদ-নদীর পানি। হু হু করে বাড়তে থাকায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করছে। অস্বাভাবিকভাবে পানি বাড়ায় ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। কুড়িগ্রামে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

রোববার (১৩ আগস্ট) সকাল ৬টায় সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদসীমার ১০৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে এবং চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন ব্যাপারী ও রায়গঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ওয়ালীদ মাসুম জানান, নাগেশ্বরী উপজেলায় বামনডাঙ্গার ধনীটারী ও রায়গঞ্জ ইউনিয়নের সাপখাওয়ায় প্রায় আধা কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

বিভিন্ন এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের উপর দিয়ে বন্যার পানির তীব্র স্রোত প্রবাহিত হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে বাঁধগুলো।

নাওডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মুসাব্বের আলী জানান, ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোরকমন্ডল আবাসন এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও পাকা রাস্তা ভেঙে  উজানের পানি প্রবেশ করে প্রায় ১২টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। বাঁধের প্রায় একশ মিটার পাকা রাস্তা ভেঙে আলাদা হয়ে গেছে উপজেলা সদরের সাথে ওইসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা।

ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবেন্দ্রনাথ উরাঁও জানান, ভাঙন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সহায়তায় প্লাবিত এলাকার মানুষকে উঁচু স্থানে বা বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জানান, জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। বিভিন্ন এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ধ্স ও বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

কমেন্টস