গণশৌচাগারের অভাবে বিড়ম্বনার স্বীকার পাটকেলঘাটার ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা

প্রকাশঃ জুলাই ১৭, ২০১৭

ইলিয়াস হোসেন, পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি-

পাটকেলঘাটায় গণশৌচাগার না থাকায় দীর্ঘদিন যাবত চরম বিড়ম্বনার স্বীকার হচ্ছেন পাটকেলঘাটার ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণ।

তালা উপজেলার অন্যতম ব্যবসায়ী কেন্দ্র পাটকেলঘাটা বাজার। দূর-দূরান্ত হতে ক্রেতা সাধারণ এখানে সওদা করতে আসেন প্রতিনিয়ত। কখনও প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে চরম বিড়ম্বনার স্বীকার হলেও কোনো উপায় থাকে না এখানে। সাথে সাথে স্থানীয় ব্যবসায়ীগণ, দোকানীবৃন্দ এ বিড়ম্বনা হতে রেহাই পান না। পায়খানা, প্রসাবখানা না থাকায় দীর্ঘদিন তারা বিভিন্ন এনজিও, সরকারিভাবে পাওয়ার আশা রাখলেও আজও তার সুফল বয়ে আনেনি।

খোঁজ খবর নিয়ে দেখা যায়, পাটকেলঘাটার মধ্যস্থান স্বর্ণপট্টিতে একটি বাথরুমের ব্যবস্থা থাকলেও দু’চারটে দোকানপাট ছাড়া বহিরাগত কেউই তা ব্যবহার করতে পারেন না। আবার উপায়ন্তর না পেয়ে পাটকেলঘাটা জামে মসজিদ কখনও আহলে হাদিস মসজিদে গেলেও সেখানে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। গাছপালা মুক্ত, ঝোপঝাড় বিহীন থাকায় বিড়ম্বনা যেন প্রকৃতিকে হার মানায়। অথচ পাটকেলঘাটাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি সরকারিভাবে যদি এখানে গণশৌচাগার নির্মিত হয় তবে স্থানীয় ও দূর-দূরান্ত হতে আগত ক্রেতাসাধারণ পরিত্রাণ পাবেন।

পন্য কিনতে আসা থানার নোয়াকাটি গ্রামের রুহুল কুদ্দুসের পুত্র জুবায়ের আহম্মেদ বলেন, গত পরশু মালামাল কিনতে এসে বাথরুমের প্রয়োজন হলে ২ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো ব্যবস্থা করতে পারিনি। পরে ৪ কিলোমিটার দূরে বাড়িতে গিয়ে আবারও আমাকে আসতে হয়।

পাটকেলঘাটার বিশিষ্ট ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী সমিত কুমার বলেন, গণশৌচাগারের কথা কি আর বলব, সকল কিছুরই উন্নতি হলেও পাটকেলঘাটায় এতো সংখ্যাধিক্য মানুষের জন্য যে একটি শৌচাগার প্রয়োজন তা আজও মিটল না।

পাটকেলঘাটার সদর ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, ইতোমধ্যে আমার একাউন্টে বেশ কিছু টাকা জমা রয়েছে। কিভাবে পাটকেলঘাটার উন্নয়ন করা সম্ভব এ বিষয়ে এক কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এবং গণশৌচাগার বিষয়ে অবহিত করায় আমি আগামী ১ মাসের ভেতর পাটকেলঘাটায় গণশৌচাগার উপহার দেব। সাথে সাথে সমস্ত পাটকেলঘাটা বাজারটিকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনতে চাই।

 

কমেন্টস