সমালোচনার মুখে শেকৃবি প্রশাসন
শিক্ষা ও গবেষণায় কম বরাদ্দে বাজেট ঘোষণা, সমালোচনার মুখে শেকৃবি প্রশাসন

প্রকাশঃ জুলাই ১৭, ২০১৭

শেকৃবি প্রতিনিধি-

শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বাজেটে সবচেয়ে কম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রেখে গত শুক্রবার ৭৫ কোটি ৪২ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)।  গবেষণাকে কম গুরুত্ব দিয়ে বাজেট ঘোষণা করায় সমালোচনার মুখে পড়েছে শেকৃবি প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর সূত্রে জানা যায়, এবার বাজেটে গবেষণা খাতে শূন্য দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং শিক্ষাখাতে ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শেকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেটের ৮০তম সভায় এ বাজেটের অনুমোদন দেওয়া হয়। বাজেটে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ৫৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এ খাতে। যা মূল বাজেটের ৭৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

বিশ্বিবদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল হক বেগ বলেন, জাতীয় বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ কম। ইউনোস্কোর নীতিকে সমর্থন করে জাতীয় বাজেটের ২০% শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়েছে প্রায় ১১%। সরকারি বরাদ্দ বাড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটেও শিক্ষা-গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানো সম্ভব।

শেকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আক্কাস আলী বলেন, ছয় মাস পরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নাল বের করার কথা। কিন্তু গবেষণাপত্রের অভাবে প্রায় এক বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব জার্নাল বের করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, কমপক্ষে ১০টি গবেষণাপত্র ছাড়া জার্নাল বের করা যায় না। আমাদের কাছে গত এক বছরে মাত্র চারটি গবেষণাপত্র এসেছে। গবেষণায় বরাদ্দ কম রাখায় শিক্ষকেরা ঠিক মতো গবেষণা করতে পারছেন না বলে তিনি মনে করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘কৃষি শিক্ষা, গবেষণা ও সম্প্রসারণ এই তিনটি হলো শেকৃবি’র মূল লক্ষ্য। শিক্ষা ও গবেষণায় কম বরাদ্দ দিয়ে লক্ষ্য পূরন সম্ভব নয়। বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন করলেও গবেষণায় বেশ পিছিয়ে আছে। এই খাতে নজর দেওয়া দরকার।

Advertisement

কমেন্টস