স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতিকরণে ‘পিএইচএফবিডি’ এর গোলটেবিল বৈঠক

প্রকাশঃ মে ১২, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং শক্তিশালী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতিকরণের উদ্দেশ্যে পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ (পিএইচএফবিডি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ১১মে ২০১৭ইং রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০.০০ ঘটিকায় গোলটেবিল আলোচনা সভার আয়োজন করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. মোজাহেরুল হকের সঞ্চালনায় গোলটেবিল আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপাস্থাপন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম প্রধান (পরিকল্পনা) ডা. আ.এ. মোহিউদ্দিন ওসমানী।

ডা. আ.এ. মোহিউদ্দিন ওসমানী তার আলোচনায় স্বাস্থ্য বাজেট সম্পর্কিত নানারকম তথ্য ঊপাত্ত সহ জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতের সাম্যক অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি ঊল্লেখ করেন স্বাস্থ্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকার এবং স্বীকৃত মানব উন্নয়নের সূচক। স্বাস্থ্যের উন্নয়ন শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিই নয়; মানুষের জীবনের গুনগত মান ও সামাজিক প্রগতির ভিত্তিস্বরূপ। ধনী-গরীব সকলের জন্য মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের দ্বায়িত্ব। এজন্য স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বাড়ানোর তাগিদ দেয়ার পাশাপাশি এর সঠিক ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার উপর জোর দেন।

আলোচকবৃন্দ উল্লেখ করেন যে, আমাদের জাতীয় বাজেটের শতকরা ৫ভাগ স্বাস্থ্য বাজেট হিসাবে বিগত কয়েকটি বাজেটে বরাদ্দ হয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতের সেবা সমূহের সম্প্রসারণের চাহিদার দিকে নজর রেখে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বৃদ্ধিও চাহিদার কথা তারা তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাজেট বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতার মধ্যে দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিকে বিশেষভাবে দ্বায়ীকরে দৈনিক মানবকন্ঠের প্রকাশক ও সিনিয়র সাংবাদিক জনাব জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, সকলের মধ্যে ও সকল কাজের মধ্যে সততা চর্চ্চা করা অত্যন্ত জরুরী। নচেৎ কোন অর্জনই স্থায়ী হবার নয়।

দি ইউনিনের টেকনিক্যাল এডভাইজার এ্যাডভোকেট তাহিন বলেন, রোগ প্রতিরোধক সেবা সমূহের প্রতি বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে ব্যায় ও দূর্নীতি কমিয়ে আনার পরামর্শ দেন।

সঞ্চালক প্রফেসর ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, যেহেতু দেশের ৬৫ভাগ মানুষ গ্রামে বসবাস করে, তাই স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দের ৬৫ থেকে ৭০ভাগ উপজেলা এবং উপজেলা পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য সুনির্দ্দিষ্ট ভাবে রাখা দরকার।

অন্যানাদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয়ের সাবেক সচিব এ এন এম নাসির উদ্দিন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেনটিভ এন্ড সোস্যাল মেডিসিন (নিপসম)এর প্রফেসর ডা. বে-নাজির আহমেদ প্রমূখ ।

পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারপারসন প্রফেসর ডা. ফাতেমা আশরাফের সভাপতিত্বে আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পিএইচএফবিডির প্রাক্তন সিউও প্রফেসর ডা. শারমিন ইয়াসমিন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ডা. সমীর কুমার সাহা।

Advertisement

কমেন্টস