বনানীর আলোচিত ধর্ষণের পর এবার বিমানবন্দর এলাকায় দুদিন আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

প্রকাশঃ মে ৯, ২০১৭

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

রাজধানীর বনানীতে দ্য রেইন ট্রি হোটেলে আলোচিত ধর্ষণের ঘটনার পর, এবার কামরাঙ্গীরচর থেকে এক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে বিমানবন্দর এলাকায় দুদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ওই ছাত্রীর ফুফাতো ভাই ও এক মুদি দোকানদারের বিরুদ্ধে।

সোমবার কামরাঙ্গীরচর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে ঐ ছাত্রীর পরিবার। পরে মঙ্গলবার দুপুরে ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান ছাত্রীর চাচা ও কামরাঙ্গীরচর থানার কনস্টেবল লতিফা।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, কামরাঙ্গীরচরের স্থানীয় একটি স্কুলের ওই ছাত্রী বাবা-ময়ের সঙ্গে স্থানীয় পোড়াঘাট এলাকায় থাকে। গত ৪ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্কুল থেকে কোচিং শেষে বাসায় ফিরছিল সে। এ সময় পথে তার ফুফাতো ভাই আরিফ (২১) জোর করে তাকে একটি সিএনজিতে তুলে নেয়। পরে বিমানবন্দর এলাকার একটি বাসায় নিয়ে তাকে দুদিন ধর্ষণ করে দুর্বৃত্তরা। পরে ৬ মে দুপুরে তাকে ওই বাসা থেকে বের করে দেয়া হয়। বিষয়টি স্কুলছাত্রী তার বাবাকে জানালে তিনি তাকে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে যান।

কামরাঙ্গীরচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাবু কুমার সাহা জানান, এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আরিফ পলাতক রয়েছে। তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, ওই স্কুলছাত্রীর বাবা কামরাঙ্গীরচরে ভাঙারির ব্যবসা করেন। অভিযুক্ত আরিফের বাবার নাম আবদুল আজিজ। বিমানবন্দর এলাকায় তার একটি মুদি দোকান আছে।

এদিকে গত ৬ মে বনানী থানায় ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন দুই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রী। ঐ মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৮ মার্চ পূর্ব পরিচিত সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওই দুই তরুণীকে জন্মদিনের দাওয়াত দেয়।এরপর তারা তরুণী ছাত্রীদের বনানীর কে-ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে জন্মদিনের অনুষ্ঠান চলাকালীন দুই তরুণীকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। আর সাফাত ও নাঈমের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়েছিল পূর্ব পরিচিত বন্ধু সাদমান সাকিফ। সেদিন সাকিফের সঙ্গে পরিকল্পনা করেই অভিযুক্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এবং সাকিফ তাদেরকে সেখানে ফেলে চলে আসেন বলেও জানান এই তরুণী।

Advertisement

কমেন্টস