অর্থাভাবে বন্ধ হতে চলেছে হ্যাপি ধর্ষণ মামলার কার্যক্রম

প্রকাশঃ জানুয়ারি ৯, ২০১৭

এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি-

ধর্ষিত হ্যাপি বাদী হয়ে আদালতে ধর্ষণ মামলা দায়ের করলেও বর্তমানে মামলার কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা।

এমনি হতাশায় দিন কাটাচ্ছে হ্যাপি ও তার পরিবার। এছাড়াও হ্যাপির অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ও জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন হ্যাপির পরিবার।

কান্না জড়িত কণ্ঠে হ্যাপি জানান, ” রাজনৈতিক কোন ক্ষমতা নেই, নেই আর্থিক সচ্ছলতা, তাই কি এমন অন্যায় আমার সাথে ! ” আমার বাবা-মা নেই। বাবা-মা বেঁচে থাকলে আমার এই বিপদে পাশে থাকত।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা গোলাম ওয়ারেছ মন্টুর ছেলে মাহফুজুর রহমান (রনি) ঢাকা পড়া লেখার সুবাদে মিরপুর এলাকার হ্যাপীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং রনি তার বন্ধুদের সাথে নিয়ে বিয়ের নাটক সাজিয়ে সাংসারিক কার্যক্রম শুরু করে। এতে হ্যাপী অন্তঃসত্ত্বা ও হয়ে পড়ে।

কিছু দিন পর রনি চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনায় রসুলপুর ইউনিয়ন পরিদর্শক পদে চাকুরী হওয়ায় হ্যাপীকে কিছু না জানিয়ে পালিয়ে আসেন।

গত (৭ নভেম্বর ২০১৬) হ্যাপী স্ত্রীর দাবি নিয়ে রনির বাড়িতে উঠলে রনি হ্যাপীকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন। এদিকে পিতা-মাতা হারা অসহায় নির্যাতিতা হ্যাপী আক্তার প্রতারণার ফাঁদে পরে বাহানা মূলক বিয়ে পড়িয়ে দাম্পত্য স্বত্ব পালনের নামে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হয় প্রতারক রনি। অতপর অন্তঃসত্ত্বা ঘটানোর প্রতিকার চেয়ে স্বামীর স্বীকৃতির জন্য ন্যায় বিচারের স্বার্থে আদালতে মামলা করেছে হ্যাপী।

উল্লেখ্য, এ ঘটনায় (৩০ নভেম্বর ২০১৬) হ্যাপী জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রনিসহ ৭ জনকে আসামী করে কমপেইন পিটিশন মামলা (নং ৯২৩/১৬ইং) দায়ের করেন। শুনানী শেষে উহার তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বিজ্ঞ আদালত সহকারী পুলিশ সুপার লালমোহনকে নির্দেশ দেন।

 

Advertisement

কমেন্টস