শিক্ষার বাগাড়ম্বরটা ধনীর চালে কে করছেন?

প্রকাশঃ মে ১৪, ২০১৭

ইঞ্জি. আরিফ চৌধুরী শুভ-

এ সময়ে রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে ২০১৭-১৮ একদশ শ্রেণীর ভর্তির নীতিমালার প্রতিবাদ তিনি নিজেই করতেন রাস্তায় নেমে। অথচ আমরা ঘরে বসে বসে ঘি গিলছি আর খোস গল্প করছি জিপিএ ৫ এর আনন্দে। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, ‘আমাদের জীবনযাত্রা গরিবের অথচ আমাদের শিক্ষার বাগাড়ম্বরটা যদি ধনীর চালে হয় তবে টাকা ফুঁকিয়া দিয়া টাকার থলে তৈরি করার মতো হবে’। রবীন্দ্রনাথ কি জানতেন ২০১৭ সালে বঙ্গীয় সন্তানদের শিক্ষার বাগাড়ম্বরটা ধনীর চালে পৌঁছাবে? আমাদের নাকের ডগায় শিক্ষার ব্যয় যেভাবে বাড়ছে তা ক্রমবর্ধমান থাকলে নিকট ভবিষ্যতে শিক্ষাবিমুখ এ সমাজ বহুমুখিতায় ধাবিত হবে।

প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে শিক্ষার বাগাড়ম্বরটা ধনীর চালে কে তৈরি করছেন, সরকার না জনগণ? প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, অতপর স্নাতক শেষ করতেই একজন শিক্ষার্থীর ফুরিয়ে যায় সব অর্থ। চাকুরী জীবনের রাস্তাতো তার জন্য আরো কঠিন। এখানে এসে ফুরায় যা ছিল স্বপ্ন। প্রতিটি পদে পদে কঠিনেরেই ভালোবেসে চলে বঙ্গীয় শিক্ষার্থীদের জীবন। তবুও শিক্ষার বাগাড়ম্বরটা বেড়েই চলেছে দিনকে দিন। কে দিবে তার মাথায় ফুলস্টপ? কে পরাবে বিড়ালের গলায় ঘন্টি?

২০১৫-১৬ অর্থবছরে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী যদি বেসরকারি উচ্চ শিক্ষায় ৭.৫% ভ্যাট কার্যকর হতো তাহলে তা এবার বেড়ে হয়ে যেত ১০%। এভাবে ৫ বছরও সময় লাগতো না তা ৫০% এ পৌঁছাতে। আজ যে কৃষক সন্তান উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন, বেসরকারি ভাবে পড়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার, উকিল, ব্যাংকার ও গবেষক হচ্ছেন, সেটি পূরণ হওয়াতো দূরের কথা, ভাবাটাও তার জন্য দুসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়াতো। কিন্তু সেদিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাখ লাখ শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে থাকেননি। তারা অন্তত কিছু করতে পারুক আর না পারুক ভ্যাট আরোপের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছেন। প্রতিহত করেছেন বেসরকারি উচ্চ শিক্ষায় ভ্যাট নামক কলঙ্ককে। কিন্তু সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার যে করুণ দশা তার পরিবর্তনে আমাদের আরেক বার রাস্তায় নামার সময় ঘনিয়ে এসেছে। শিক্ষা ব্যবস্থার বাগাড়ম্বরটা এতদ্রুত বাড়তে দেওয়া যায় না।

২০১৭-১৮  শিক্ষাবর্ষে  ১০ বোর্ডের অধীনে এবার পাশ করেছে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২ জন শিক্ষার্থী। ফলাফল আর খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে নানা বির্তক ও রহস্যের জাল না কাটতেই একাদশ শ্রেণির ভর্তির রহস্যময় নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আবেদন ও চলছে এখন। এই নীতিমালা যতটা না শিক্ষাথীবান্ধব তার চেয়ে বেশি সরকারের স্বার্থ লুকায়িত। এই নীতিমালা কৌশলে শিক্ষাথীদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা আদায়ের হাতিয়ার মাত্র। লাখ লাখ শিক্ষার্থীর অবচেতন মনে যখন একটি ভালো মানের কলেজে ভতির আকাঙ্খা, ঠিক তখন অনেকের স্বপ্ন আটকে যেতে পারে শুধু এমন একটি মুনাফাযোগী নীতিমালার কারণে।

মধ্যবৃত্ত শ্রেণির লাখ লাখ শিক্ষাথীর কাছে এই নীতিমালা এপ্লাস গোল্ডেন এপ্লাসের বিপরীতে অনেক ভারী। পাথরের ভার সহ্য করা যায়, কিন্তু শিক্ষার অধিকারের উপর রাষ্ট্রীয় শোষণের ভার কতদিন সহ্য করা যায়? শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মনগড়া এমন নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন তুলছি। এই প্রশ্ন শুধু একা আমার নয়, লাখ লাখ শিক্ষার্থীর মনের ভেতর এই প্রশ্ন ঘুরপাক করছে। সরকার শিক্ষার তিনটি স্তরে নামমাত্র যে উপবৃত্তি প্রদান করেন, তাতে শিক্ষার্থীদের সাময়িক উপকার হলেও শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বিভিন্ন নীতিমালায় শিক্ষার্থীদের পকেটের টাকা ফুঁকিয়া দিয়া টাকার থলি তৈরির অবস্থা অনেক আগেই হয়েছে। শিক্ষাজীবনের সেই তিনটি স্তরে হতাশা আর যে দীর্ঘশ্বাস বাসা বাঁধে একজন শিক্ষার্থীর মনে, কর্মজীবনে সেই হতাশা আর দীর্ঘশ্বাস তাকে ব্যর্থ করে তোলে বিভিন্ন ভাবে। কখনো কখনো চলন্ত ফ্যান স্থির হয়ে যায় তার গলায়। এর চেয়ে মির্মতা আর কি হতে পারে। রাষ্ট্র কি ব্যর্থ নয় এই জায়গায়? অথচ দেশের নাগরিক হিসাবে মৌলিক অধিকারের এই দাবিটি একজন শিক্ষার্থী রাষ্ট্রের কাছে বিনামূল্যে পাওয়া কথা। কিন্তু আজ কৌশলে রাষ্ট্রের কাছে জিম্মি শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষার্থী।

এই জিম্মিদশা থেকে বেরিয়ে আসার পথ রাষ্ট্রকে আমরা যতই দেখাই, ততই মনে হচ্ছে কামারের কাছে কোরআন তেলাওয়াত করছি। কর্তাব্যক্তিরা যে সকল পকেটকাটা নীতিমালা জারি করেন, তার ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু শোষণই করছেন না শিক্ষার্থীদের, মনগড়া অর্থ আদায়ের বৈধতাও পাচ্ছেন। কোন আইনই যেন এদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে বরং শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের প্রতিউত্তর আসে সরকার নিলে কথা নাই আর আমরা নিলে দোষ। শিক্ষার্থীরা যাবে কোথায়? শিক্ষা যে তাদের গলায় আটকানো সুচালো বিষকাঁটা আজ। বিড়ালের পা ধরে হলেও তাদের এই কাঁটা বের করতেই হবে। শিক্ষামন্ত্রী তখন হয়তো বলবেন, “কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে’’

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির ভতির নীতিমালা অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে একজন শিক্ষাথী ভতির জন্যে এসএমএস বা অনলাইনে আবেদন করতে হবে। অনলাইনের ক্ষেত্রে ১৫০টাকা ফি দিয়ে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে হবে। কিন্তু এসএমএসের ক্ষেত্র্রে ১২০ টাকা ফি  দিতে হবে প্রতিটি কলেজে আবেদনের জন্যে। এভাবে আবেদনের প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের ভতির জন্যে কলেজ ঠিক করে দিবে শিক্ষাবোর্ড।

কলেজে ভর্তির জন্য প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ৫ জুন। এরপর আরও দুই দফায় আবেদন গ্রহণ করা হবে। তার পর মাইগ্রেশন থাকবে যা শিক্ষাথীদের অন্য কলেজে আসন খালি থাকা সত্ত্বে যেতে সহযোগিতা করবে। কোন কলেজে নাম না আসা শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় বার একই ভাবে আবেদন করতে হবে। ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর। কিন্তু এই সাড়ে ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর আবেদন থেকে ভতির আগ পর্যন্ত তাকে কতটাকা ব্যয় করতে হবে তার হিসাবটা একবার করে কষা যাক।

একজন শিক্ষার্থী ১২০ টাকা করে সর্বনিম্ন ৫টি কলেজের জন্যে ৬০০ টাকা এবং সবোর্চ্চ ১০টি কলেজে আবেনের জন্যে ১২০০ টাকা ব্যয় করতে হবে। এটা শুধু পছন্দের কলেজ বা কলেজে পড়ার অনুমতি পাওয়ার জন্যে তাকে দিতে হবে। এই হিসাবে ১০ বোর্ডের অধীনে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২ জন শিক্ষার্থীর পকেট কেটে রাষ্ট্রীয় কোম্পানী টেলিটক পাবে সর্বনিম্ন ৮৫ কোটি ৯০ লক্ষ ৩৩ হাজার ২০০ টাকা এবং সবোর্চ্চ ১৭১ কোটি ৮০ লাখ ৬৬ হাজার ৪০০ টাকা। এই টাকা ব্যয় করার পরেও কোন শিক্ষার্থীর ভাগ্যে ভতির জন্যে নির্ধারিত কলেজের নাম আসবে কোন শিক্ষার্থীর আসবে না। তখন প্রথম বারের মতো আবারো সমপরিমাণ খরচ দিয়ে দ্বিতীয় বার আবেদন করতে হবে। এ যেন পাশের চেয়েও বিড়ম্বনা। অনেকটা কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ।

দ্বিতীয় ধাপে মনোনীত প্রতিটি শিক্ষাথীকে আরো দেড়গুণের বেশি খরচ দিতে হবে বোর্ডকে। অর্থাৎ প্রতিটি শিক্ষার্থী ১৮৫ টাকা বোর্ডকে দিয়ে বোর্ড নির্ধারিত কলেজটিতে চূড়ান্ত ভতির জন্যে নিবন্ধন করতে হবে। এ হিসাবে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২ জন শিক্ষার্থীর পকেট কেটে শিক্ষাবোর্ড নিয়ে যাচ্ছে ২৬ কোটি ৪৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫৭০ টাকা। অথচ এই টাকা আগে কলেজ কর্তৃপক্ষ বোর্ডকে পরিশোধ করতে হতো কিন্তু এখন শিক্ষার্থীরাই দিতে হবে এই টাকা। অর্থাৎ আগে শিক্ষার্থীদের পকেট কাটতো কলেজ এবার সরাসরি কাটবে শিক্ষাবোর্ড।

তৃতীয় ধাপে বোর্ড নির্ধারিত ফিতে কলেজে ভতির প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে শিক্ষার্থীকে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকায় এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার, ঢাকা ব্যতীত অন্যান্য মহানগর এলাকায় তিন হাজার টাকার বেশি হবে না।ঢাকা মহানগরে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভর্তির ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকার অতিরিক্ত অর্থ নিতে পারবে না। ঢাকা মহানগরের আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিও বহির্ভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং এমপিও বহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ নয় হাজার এবং ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নিতে পারবে।উন্নয়ন খাতে কোনো প্রতিষ্ঠান তিন হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

কিন্তু বাংলাদেশে কয়টি কলেজ আছে যারা বোর্ডের নির্ধারিত ফি আদায় করে শিক্ষার্থীদের ভতির সুযোগ দেন। এখানেই সবচেয়ে বড় অনিয়মটি ঘটে শিক্ষার্থীদের সাথে।অভিবাকরাও থাকেন নিবিকার। এর কোন কার্যকারী পদক্ষেপ নেননি শিক্ষামন্ত্রনালয়। নামে বেনামে রশিদ বানিয়ে কয়েকগুণ টাকা আদায়ের বহু রেকর্ড রয়েছে বহু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এমন পরিস্থিতিতে কি আশা করা যায় এবার ব্যতিক্রম কিছু ঘটবে? কারণ পূবের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত অথ আদায়ের ঘটনায় হাইকোটে রীট পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু অর্থ ফেরত পায়নি শিক্ষার্থীরা।

ভতির ফরম তোলা থেকে ভতি প্রক্রিয়া সম্পুন্ন হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থী, বোর্ড ও রাষ্ট্রীয় কোম্পানী টেলিটক এর মধ্যে কোটি কোটি টাকা অথের যে লেনদেন তা কতটা যৌক্তিক প্রশ্ন থেকে যায়। যে হারে পাশ করছে শিক্ষার্থীরা সে হারে শিক্ষার মান যেমন প্রশ্নবিদ্ধ, তেমনি অতিরিক্ত পাশে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় টেলিটক কোম্পানির সাথে বোর্ড কর্তৃপক্ষের মুনাফালোভী যোগসাজের ইঙ্গিত উড়িয়ে দেওয়া যায় না।অনেকটা এই রকম যে বেশি পাশ করলে বেশি আবেদন করবে শিক্ষার্থীরা। যেহেতু এই আবেদন প্রক্রিয়া এখন পর্যন্ত একমাত্র টেলিটকের মাধ্যমেই হয় তাই এমন সন্দেহ আসতেই পারে।

রবীন্দনাথ দিয়ে শুরু করেছি রবীন্দনাথ দিয়েই শেষ করিতে চাই। রবীন্দনাথ বলেছেন, ‘যেখানে চাষ হইতেছে, কলুর ঘানি ও কুমারের চাক ঘুরিতেছে, সেখানে শিক্ষার কোন স্পর্শও পৌঁছায় নাই। অন্যকোন শিক্ষিত দেশে এমন দুযোর্গ ঘটিতে দেখা যায় না।তাহার কারণ আমাদের বিদ্যালয়গুলি দেশের মাটির উপরে নাই, তাহা পরগাছার মতো পরদেশীয় বনস্পতির শাখায় ঝুলিতেছে’ (বিশ্বভারতী-১)।

রবীন্দ্রনাথ সত্য বলেছেন কিনা তা আজ ক্রমবর্ধমান শিক্ষার বাগাড়ম্বরটা দেখেই অনুমেয়। তবে আমাদের বিদ্যালয়গুলি যে আজ দেশের মাটির উপরে নাই তা আমরা বাস্তবেই দেখছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বাণিজ্য সেভাবেই পিছাচ্ছে শিক্ষার প্রকৃতমান। এই সুযোগ কেনইবা হাতছাড়া করবেন বনস্পতিরা। বাণিজ্যের এ মহাউৎসবে তারা আল্লাদিত। প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি শিক্ষানীতির শেষ পাতায় ও বনস্পতিদের লভ্যাংশ লিপিব্দ্ধ।

রবীঠাকুরের শেষ উক্তিটি ছিল, ‘সুশিক্ষার লক্ষণ এই যে, তাহা মানুষকে অভিভূত করে না, তাহা মানুষকে মুক্তিদান করে’। আজ আমরা সেই সুশিক্ষারই মুক্তি খুঁজি বনস্পতিদের কাছে, রাষ্ট্রের কাছে আর শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের কাছে। আর কল্পনা করি মুক্তির এই পথে কে হবেন আমাদের আজকের রবীন্দ্রনাথ।

লেখক- সাংবাদিক ও লেখক

উদ্যোক্তা ও সংগঠক, নো ভ্যাট অন এডুকেশন আন্দোলন।

কমেন্টস